এক.
স্বপ্নের খুশিমতো স্বপ্ন দেখি
স্বপ্নেরা বড়োবেশি স্বপ্নমুখি
দুই.
অনিচ্ছেতেই ইচ্ছেরা যায় জলাঞ্জলি
মনের অজান্তে তাকে জীবন যে বলি
তিন.
বুকপকেটে আগলে রাখি স্বচ্ছ নীলাভ নদী
ঢেউ টলোমল অকুল অতল উচ্ছল নীল জলে
দিন রাত্রি পল অনুপল অবিরাম বয়ে চলে
নৌকো নয়, পানসিও নয়-স্বপ্ন নিরবধি
চার.
এতো যে কষ্টের প্রতি রাগ, অনুরাগ
মৃত্যুর সাথেই যত ভালোবাসাবাসি
স্বপ্নের নাটাই তবু সযত্নে ঘুরাই
আর ঘুরে ফিরে জীবনেই ফিরে আসি
পাঁচ.
যাত্রা শুরু যেখান থেকে
পড়ে আছি সে স্টেশনেই
আমার কোথাও হয় না যাওয়া
আসবো-তারও উদ্দীষ্ট নেই
ছয়,
চুনকাম খ’সে পড়ে, খসে পলেস্তারা
মুখ ভেংচিয়ে হাসে নৃশংস ইট
অভিমানে খ’সে পড়ে মূঢ় কংক্রিট
ঘরের বিদ্রোহে ঋজু, আমি ঘরহারা
সাত.
আমি না-মঞ্জুর হয়ে থাকি আদেশনামায়
যত হা-মঞ্জুর কল, কাঠি আমাকে নাড়ায়
আট.
কেউ দাঁড়াবে না হাত না বাড়ালে
চেনা বাসস্টপ অচেনা আড়ালে
খোঁজে না-যাওয়ার যাত্রী ছাউনি
কেউ খুঁজবে না নিজেই হারালে
নয়.
অযত্নেই পড়ে থাকে প্রযত্নের নাম
যদিও অভীষ্ট ঠিকানা তারই
মূল চিঠি পেয়ে যায় সযত্ন প্রাপক
ভুল চিঠি হয়ে যায় পত্র জারি
দশ.
আমার কোন পূর্ব প্রস্তুতি নেই
পশ্চিম অস্বস্তি নেই সে কারণে
দিকভ্রান্ত আমি আজন্মান্ধকাল
ঘুরি কম্পাস নিয়ে শুধু অকারণে


























