সারের সংকট নেই নীতিমালার বাইরে হলে বাতিল হতে পারে ডিলারের লাইসেন্স কৃষিমন্ত্রী 

সারের সংকট নেই নীতিমালার বাইরে হলে বাতিল হতে পারে ডিলারের লাইসেন্স কৃষিমন্ত্রী 
মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :
কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, সারের সংকট ছিল না, এখনও সংকট নেই, আগামীতেও সংকট হওয়ার ০.১ শতাংশ সম্ভাবনাও নাই। এখানে কিছু শস্য চাষাবা বেড়ে গেছে। যেমন এখন সব জমিতে ধান রয়েছে, মাত্র কাটা হবে। ধান কাটার পরে অন্য ফসল চাষাবাদে সার প্রয়োজন হবে। তারমানে এখন থেকে আরও ২৫ দিন থেকে এক মাস পর। এখন সার সংকট কেন হবে তা বুঝতে পারছি না। তারপরেও তা জানার চেষ্টা করছি। এই সরকার জনগণের সরকার, এই সরকার কৃষকের সরকার, সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য কৃষিকে স্বাবলম্বী করা, উৎপাদন বাড়ানো ও রপ্তনিমুখী করা। সুতরাং, সারের যত প্রয়োজন হবে, ততোই দেয়া হবে। এরমধ্যে নতুন সারের ডিলার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই মাসের জন্য গত মাসে যা দেয়া হয়েছে, তার চেয়ে হাজার পাঁচশ টন করে বেশি বরাদ্দ দেয়া হবে। এমনটা হলে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে।
বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর) বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাবু ডাইং এলাকায় একটি আমবাগান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, সারের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সাল্পাই চেইনকেও আমরা বাড়াতে চাই। এখানে প্রতি ইউনিয়নে দুই জন করে ছিলো এখন তিনজন করা হয়েছে। যেন চাহিদা অনুযায়ী কৃষকরা সহজেই সার পেতে পারে। নীতিমালার বাইরে কোন সার ডিলার লাইসেন্স হলে তা পুনরায় সরকার সিধান্ত নিবে। লাইসেন্সের ভেতরে একটি শর্ত দেয়া আছে, ৯০ দিন পর্যন্ত কোনরকম অভিযোগ যদি আসে এবং তা যদি প্রমাণ হয়, তাহলে লাইসেন্স চলেও যেতে পারে।
ডিলার নিয়োগ নিয়ে কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, সারের ডিলার নিয়োগের জন্য নীতিমালা করা হয়েছে। সেখানে কতগুলো শর্ত দেয়া হয়েছে। এসব শর্ত পূরন করে ডিলারের জন্য আবেদন করেছিল অনেকেই। জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি কমিটি ও তার আগে উপজেলা পর্যায়ে ইউএনও’র নেতৃত্ব আরেকটি কমিটি শর্তগুলো পূরন সাপেক্ষে নাম সুপারিশ করেছে। এরপর তা মন্ত্রণালয়ের পাঠানো তিনজনের থেকে প্রথম জনকে চূড়ান্ত করে প্রকাশ করেছে। কমিটির সকল সদস্যের যৌথ সিধান্তে মন্ত্রণালয়ে তালিকা গেছে। এরপরেও যদি কোন ভুল-ভ্রান্তি থাকে কিংবা নীতিমালা বর্হিভূত কিছু হয়, তাহলে তা টিকবে না।
পরে মন্ত্রী স্থানীয় কৃষকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন। এর আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের হোসেনডাঙ্গা এলাকায় একটি টমেটো চাষাবাদে জমি পরিদর্শন করেন। এসময় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিজ্ঞাপন
ট্যাগ
জনপ্রিয়
সাদুল্লাপুরে ৩০০ শিক্ষার্থীর হাতে ফলজ গাছের চারা, সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ার উদ্যোগ ‘অঙ্কুর’

সাদুল্লাপুরে ৩০০ শিক্ষার্থীর হাতে ফলজ গাছের চারা, সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ার উদ্যোগ ‘অঙ্কুর’

সারের সংকট নেই নীতিমালার বাইরে হলে বাতিল হতে পারে ডিলারের লাইসেন্স কৃষিমন্ত্রী 

আপডেট সময় : ০৬:৫৭:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :
কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, সারের সংকট ছিল না, এখনও সংকট নেই, আগামীতেও সংকট হওয়ার ০.১ শতাংশ সম্ভাবনাও নাই। এখানে কিছু শস্য চাষাবা বেড়ে গেছে। যেমন এখন সব জমিতে ধান রয়েছে, মাত্র কাটা হবে। ধান কাটার পরে অন্য ফসল চাষাবাদে সার প্রয়োজন হবে। তারমানে এখন থেকে আরও ২৫ দিন থেকে এক মাস পর। এখন সার সংকট কেন হবে তা বুঝতে পারছি না। তারপরেও তা জানার চেষ্টা করছি। এই সরকার জনগণের সরকার, এই সরকার কৃষকের সরকার, সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য কৃষিকে স্বাবলম্বী করা, উৎপাদন বাড়ানো ও রপ্তনিমুখী করা। সুতরাং, সারের যত প্রয়োজন হবে, ততোই দেয়া হবে। এরমধ্যে নতুন সারের ডিলার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই মাসের জন্য গত মাসে যা দেয়া হয়েছে, তার চেয়ে হাজার পাঁচশ টন করে বেশি বরাদ্দ দেয়া হবে। এমনটা হলে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে।
বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর) বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাবু ডাইং এলাকায় একটি আমবাগান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, সারের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সাল্পাই চেইনকেও আমরা বাড়াতে চাই। এখানে প্রতি ইউনিয়নে দুই জন করে ছিলো এখন তিনজন করা হয়েছে। যেন চাহিদা অনুযায়ী কৃষকরা সহজেই সার পেতে পারে। নীতিমালার বাইরে কোন সার ডিলার লাইসেন্স হলে তা পুনরায় সরকার সিধান্ত নিবে। লাইসেন্সের ভেতরে একটি শর্ত দেয়া আছে, ৯০ দিন পর্যন্ত কোনরকম অভিযোগ যদি আসে এবং তা যদি প্রমাণ হয়, তাহলে লাইসেন্স চলেও যেতে পারে।
ডিলার নিয়োগ নিয়ে কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, সারের ডিলার নিয়োগের জন্য নীতিমালা করা হয়েছে। সেখানে কতগুলো শর্ত দেয়া হয়েছে। এসব শর্ত পূরন করে ডিলারের জন্য আবেদন করেছিল অনেকেই। জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি কমিটি ও তার আগে উপজেলা পর্যায়ে ইউএনও’র নেতৃত্ব আরেকটি কমিটি শর্তগুলো পূরন সাপেক্ষে নাম সুপারিশ করেছে। এরপর তা মন্ত্রণালয়ের পাঠানো তিনজনের থেকে প্রথম জনকে চূড়ান্ত করে প্রকাশ করেছে। কমিটির সকল সদস্যের যৌথ সিধান্তে মন্ত্রণালয়ে তালিকা গেছে। এরপরেও যদি কোন ভুল-ভ্রান্তি থাকে কিংবা নীতিমালা বর্হিভূত কিছু হয়, তাহলে তা টিকবে না।
পরে মন্ত্রী স্থানীয় কৃষকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন। এর আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের হোসেনডাঙ্গা এলাকায় একটি টমেটো চাষাবাদে জমি পরিদর্শন করেন। এসময় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিজ্ঞাপন