কুষ্টিয়ায় হাসপাতালে অজ্ঞাত লাশ দেখে ভাতিজাকে চিনলেন ফুফ

কুষ্টিয়ায় হাসপাতালে অজ্ঞাত লাশ দেখে ভাতিজাকে চিনলেন ফুফ

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মায়ের জন্য দর্জির সেলাইয়ের সুতা কিনতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় রোকন ইসলাম (২০) নামে এক তরুণ নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর) সকালে উপজেলার তারাগুনিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রোকন ইসলাম ওই এলাকার শরিফুল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে রোকনের মা তাকে দর্জির সেলাইয়ের সুতা কিনে আনতে বাজারে পাঠান। মায়ের কথা রাখতে মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন তিনি। উপজেলার তারাগুনিয়া এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা লাগে। এতে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পান রোকন।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

বিজ্ঞাপন

এদিকে নিহতের কাছে মোবাইল ফোন বা জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ফলে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে তার মরদেহ হাসপাতালের বারান্দায় রাখা হয়।

এরপর হাসপাতালে অন্য একটি কারণে আসা রোকনের এক ফুফু বারান্দায় পড়ে থাকা মরদেহ দেখতে এগিয়ে যান। কাছে গিয়ে মুখ দেখতেই চমকে ওঠেন তিনি। মরদেহটি আর কারও নয়, নিজের ভাতিজা রোকনের। এমন দৃশ্য দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ট্যাগ
জনপ্রিয়
২৭ বছরেই ইতিহাস, রিপাবলিকান প্রার্থীকে হারিয়ে সিনেটর হলেন মুসলিম তরুণী নাবিলা

২৭ বছরেই ইতিহাস, রিপাবলিকান প্রার্থীকে হারিয়ে সিনেটর হলেন মুসলিম তরুণী নাবিলা

কুষ্টিয়ায় হাসপাতালে অজ্ঞাত লাশ দেখে ভাতিজাকে চিনলেন ফুফ

আপডেট সময় : ০৫:১৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মায়ের জন্য দর্জির সেলাইয়ের সুতা কিনতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় রোকন ইসলাম (২০) নামে এক তরুণ নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর) সকালে উপজেলার তারাগুনিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রোকন ইসলাম ওই এলাকার শরিফুল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে রোকনের মা তাকে দর্জির সেলাইয়ের সুতা কিনে আনতে বাজারে পাঠান। মায়ের কথা রাখতে মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন তিনি। উপজেলার তারাগুনিয়া এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা লাগে। এতে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পান রোকন।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

বিজ্ঞাপন

এদিকে নিহতের কাছে মোবাইল ফোন বা জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ফলে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে তার মরদেহ হাসপাতালের বারান্দায় রাখা হয়।

এরপর হাসপাতালে অন্য একটি কারণে আসা রোকনের এক ফুফু বারান্দায় পড়ে থাকা মরদেহ দেখতে এগিয়ে যান। কাছে গিয়ে মুখ দেখতেই চমকে ওঠেন তিনি। মরদেহটি আর কারও নয়, নিজের ভাতিজা রোকনের। এমন দৃশ্য দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।