চুয়াডাঙ্গায় গাছ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির কারখানা বন্ধ 

চুয়াডাঙ্গায় গাছ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির কারখানা বন্ধ 
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি :
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় গাছ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। অবৈধভাবে গাছ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করছিল একটি চক্র। বৃহস্পতিবার দুপুরে আলমডাঙ্গার মধুপুর গ্রামে অবৈধভাবে গড়ে উঠা কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
 উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের যৌথ অভিযান পরিচালনা করলে  মালিক নিজেই অবৈধ কারখানা ভেঙ্গে নেয়।
 কয়লা তৈরীর কারখানা থেকে সকল মালামাল সরিয়ে নিয়ে জমি খালি করে দেওয়ারও অঙ্গিকার করেন কারখানা মালিক মিঠু।
জানাগেছে, উপজেলার মধুপুর গ্রামের মোতালেপ মোল্লার নিকট থেকে জমি লিজ নিয়ে ঝিনাইদাহ হরিনাকুন্ড উপজেলার ধুলিয়া গ্রামের ছানোয়ার হোসেনের ছেলে মিঠু। তিনি অবৈধভাবে গাছ পুড়িয়ে কয়লা তৈরীর কারখানা গড়ে তোলে। এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সাথে নিয়ে তার অবৈধ কয়লা তৈরীর কারখানা চালাতো।
 বৃহস্পতিবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা জেলার পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক নরেশ চন্দ্র বিশ্বাস টিম নিয়ে উপস্থিত হয় মুধুপুর গ্রামের অবৈধভাবে গড়ে উঠা গাছ পুড়িয়ে কয়লা তৈরীর কারখানায়। তিনি ঘটনাস্থল থেকে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মহেশ্বর কুমার মন্ডল ও জাতীয় ভোক্তাধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন।
বিজ্ঞাপন
ট্যাগ
জনপ্রিয়
সাদুল্লাপুরে ৩০০ শিক্ষার্থীর হাতে ফলজ গাছের চারা, সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ার উদ্যোগ ‘অঙ্কুর’

সাদুল্লাপুরে ৩০০ শিক্ষার্থীর হাতে ফলজ গাছের চারা, সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ার উদ্যোগ ‘অঙ্কুর’

চুয়াডাঙ্গায় গাছ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির কারখানা বন্ধ 

আপডেট সময় : ০৭:০৬:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি :
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় গাছ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। অবৈধভাবে গাছ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করছিল একটি চক্র। বৃহস্পতিবার দুপুরে আলমডাঙ্গার মধুপুর গ্রামে অবৈধভাবে গড়ে উঠা কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
 উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের যৌথ অভিযান পরিচালনা করলে  মালিক নিজেই অবৈধ কারখানা ভেঙ্গে নেয়।
 কয়লা তৈরীর কারখানা থেকে সকল মালামাল সরিয়ে নিয়ে জমি খালি করে দেওয়ারও অঙ্গিকার করেন কারখানা মালিক মিঠু।
জানাগেছে, উপজেলার মধুপুর গ্রামের মোতালেপ মোল্লার নিকট থেকে জমি লিজ নিয়ে ঝিনাইদাহ হরিনাকুন্ড উপজেলার ধুলিয়া গ্রামের ছানোয়ার হোসেনের ছেলে মিঠু। তিনি অবৈধভাবে গাছ পুড়িয়ে কয়লা তৈরীর কারখানা গড়ে তোলে। এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সাথে নিয়ে তার অবৈধ কয়লা তৈরীর কারখানা চালাতো।
 বৃহস্পতিবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা জেলার পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক নরেশ চন্দ্র বিশ্বাস টিম নিয়ে উপস্থিত হয় মুধুপুর গ্রামের অবৈধভাবে গড়ে উঠা গাছ পুড়িয়ে কয়লা তৈরীর কারখানায়। তিনি ঘটনাস্থল থেকে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মহেশ্বর কুমার মন্ডল ও জাতীয় ভোক্তাধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন।
বিজ্ঞাপন