গাইবান্ধা প্রতিনিধি
ছেলে সেজে পরিচয় গোপন করে এক তরুণীর সঙ্গে আরেক তরুণীর বিয়ে। এরপর প্রায় ছয় মাসের সংসার। কিন্তু গোপন সেই পরিচয় প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় চাঞ্চল্য। বিয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বসে সালিশ। সেখানে কনেকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হলেও বর পরিচয়ে বিয়ে করা তরুণীকে মারধর, কান ধরে ওঠবস করানো এবং তওবা পড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি নিয়ে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের বাসুদেবপুর গ্রামে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজের পর বাসুদেবপুর গ্রামে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সালিশে স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে লাবনী আক্তারকে তাঁর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে বর পরিচয়ে বিয়ে করা চাঁদনী আক্তারকে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করানোর অভিযোগ উঠেছে।
নাম বদলে ‘রাসেল’, কাবিননামায়ও সেই পরিচয়
স্থানীয় সূত্র ও কাবিননামা অনুযায়ী, পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল গ্রামের ইব্রাহীম খলিলের মেয়ে চাঁদনী আক্তার নিজের নাম পরিবর্তন করে ‘রাসেল’ পরিচয় ধারণ করেন। পরে গত ১৫ এপ্রিল পলাশবাড়ী পৌরসভার হিজলগাড়ী গ্রামের তাজু মিয়ার মেয়ে লাবনী আক্তারকে বিয়ে করেন বলে জানা গেছে। বিয়ের কাবিননামায় বর হিসেবে ‘রাসেল’ নাম ব্যবহার করা হয়।
বিয়ের পর দুজনের সংসার চলছিল। প্রায় ছয় মাস পর তাঁদের বিয়ের বিষয়টি এবং বর পরিচয়ে থাকা ব্যক্তির প্রকৃত পরিচয় এলাকায় জানাজানি হলে সৃষ্টি হয় চাঞ্চল্যের। প্রথমে চাঁদনীর বাবা বিষয়টি জানতে পারেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এরপর ঘটনাটির মীমাংসার জন্য শুক্রবার জুমার নামাজের পর স্থানীয় উদ্যোগে সালিশ বৈঠক ডাকা হয়।




















