রুহুল আমিন, তাড়াইল (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:
তীব্র জনবল সংকটে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়। প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে উপজেলার হাজারো নারীর সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ভিজিডি, মাতৃত্বকালীন ভাতা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে হিমশিম খাচ্ছে অফিসটি।
তাড়াইল উপজেলায় মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার গুরুত্বপূর্ণ পদটি ২০২৩ সাল থেকে শূন্য রয়েছে।
বর্তমানে এই পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন কিশোরগঞ্জ জেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের উপপরিচালক আল আমীন ভূঁইয়া। জেলা পর্যায়ের দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি তাড়াইল, নিকলী, ভৈরব ও অষ্টগ্রাম উপজেলাসহ ৫টি উপজেলায় মহিলা বিষয়ক কার্যক্রমের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।
কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এই অফিসে অনুমোদিত পদ সংখ্যা ৪টি। এর মধ্যে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ১ জন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ১ জন, অফিস সহায়ক ২জন। বর্তমানে
নিয়মিত ১ জন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর প্রণয় কান্তি রাউত এর মাধ্যমে চলছে পুরো উপজেলার কার্যক্রম।
অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর প্রণয় কান্তি রাউত জানান, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের
দুস্থ:-অসহায় ও হতদরিদ্র কর্মসূচির আওতায় ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তাড়াইল উপজেলার মোট ১ হাজার ৪৯৭ জন উপকারভোগীর মধ্যে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়াও মাতৃত্বকালীন ভাতাভোগী ও কিশোর-কিশোরী ক্লাবের কার্যক্রমে ধীরগতি নেমে এসেছে। ভাতার টাকা উত্তোলন, নতুন আবেদন, অভিযোগ জমা দিতে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে সেবাপ্রার্থী নারীদের।
কিশোরগঞ্জ জেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের উপপরিচালক ও অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা তাড়াইল উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আল আমীন ভূঁইয়া বলেন, জনবল সংকটের কারণে আমরা ঠিকমতো মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে পারছি না। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, প্রশিক্ষণ, উঠান বৈঠকসহ অনেক কাজ আটকে আছে। একটি কম্পিউটার দিয়ে সব কাজ করতে হচ্ছে। জনবল নিয়োগের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার চিঠি দেওয়া হয়েছে।
দ্রুত শূন্য পদে জনবল নিয়োগ দিয়ে তাড়াইলের নারী উন্নয়ন কার্যক্রমকে গতিশীল করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।



















