টিসিবির কার্ড থেকে ৫৯ লাখ অযোগ্য সুবিধাভোগী বাদ, সাশ্রয় ৩০০ কোটি টাকা

টিসিবি থেকে ৫৯ লাখ সুবিধাভোগীকে বাদ দেওয়া হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

টিসিবি থেকে ৫৯ লাখ সুবিধাভোগীকে বাদ দেওয়া হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

ফাইল ছবি

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কার্ডধারী তালিকা থেকে ৫৯ লাখ অযোগ্য সুবিধাভোগীকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) টিসিবির কার্ডধারীদের সুবিধার জন্য ‘উপকারী’ মোবাইল অ্যাপ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞাপন

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ৫৯ লাখ অযোগ্য সুবিধাভোগীকে টিসিবির কার্ডের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রকৃত ও যোগ্য সুবিধাভোগীরাই টিসিবির সুবিধা পাবেন।

তিনি আরও বলেন, টিসিবির কার্ড ডিজিটাল পদ্ধতিতে রূপান্তরের ফলে সরকারের প্রায় ৩০০ থেকে সাড়ে ৩০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে টিসিবির ভর্তুকি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। একই সঙ্গে টিসিবির কার্যক্রম আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ করতে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়
পঞ্চগড়ে স্কুল ফিডিংয়ের পাউরুটিতে মিলল ব্লেড: ষড়যন্ত্র নাকি অবহেলা, তদন্তে প্রশাসন

পঞ্চগড়ে স্কুল ফিডিংয়ের পাউরুটিতে মিলল ব্লেড: ষড়যন্ত্র নাকি অবহেলা, তদন্তে প্রশাসন

টিসিবির কার্ড থেকে ৫৯ লাখ অযোগ্য সুবিধাভোগী বাদ, সাশ্রয় ৩০০ কোটি টাকা

টিসিবি থেকে ৫৯ লাখ সুবিধাভোগীকে বাদ দেওয়া হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:৫৬:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কার্ডধারী তালিকা থেকে ৫৯ লাখ অযোগ্য সুবিধাভোগীকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) টিসিবির কার্ডধারীদের সুবিধার জন্য ‘উপকারী’ মোবাইল অ্যাপ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞাপন

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ৫৯ লাখ অযোগ্য সুবিধাভোগীকে টিসিবির কার্ডের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রকৃত ও যোগ্য সুবিধাভোগীরাই টিসিবির সুবিধা পাবেন।

তিনি আরও বলেন, টিসিবির কার্ড ডিজিটাল পদ্ধতিতে রূপান্তরের ফলে সরকারের প্রায় ৩০০ থেকে সাড়ে ৩০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে টিসিবির ভর্তুকি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। একই সঙ্গে টিসিবির কার্যক্রম আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ করতে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হচ্ছে।