গাইবান্ধায় অবৈধ মজুতের ২১ বস্তা সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

গাইবান্ধায় অবৈধ মজুতের ২১ বস্তা সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় অবৈধভাবে মজুত করা ২১ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এমদাদুল হক এন্তাজ নামে এক ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের হাজিরহাট এলাকায় উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ যৌথভাবে অভিযান চালায়। এতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান।

বিজ্ঞাপন

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে ব্যবসায়ী এমদাদুল হক এন্তাজের বাড়ি থেকে ৫০ কেজি ওজনের ১৪ বস্তা টিএসপি সার ও ৭ বস্তা পটাশ সার জব্দ করা হয়। পরে অবৈধভাবে সার মজুতের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

জব্দ করা সার কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করে পাওয়া অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দিতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযানের সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার ফিরোজ মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার ফিরোজ মাহমুদ বলেন, ‘কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা সার কেউ অবৈধভাবে মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃষকদের ন্যায্যমূল্যে সারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে এবং অবৈধ মজুত ও অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

জনপ্রিয়
সুন্দরগঞ্জ ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে আগ্রহী আরমান মিয়া

সুন্দরগঞ্জ ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে আগ্রহী আরমান মিয়া

গাইবান্ধায় অবৈধ মজুতের ২১ বস্তা সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

আপডেট সময় : ০৬:৩৯:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় অবৈধভাবে মজুত করা ২১ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এমদাদুল হক এন্তাজ নামে এক ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের হাজিরহাট এলাকায় উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ যৌথভাবে অভিযান চালায়। এতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান।

বিজ্ঞাপন

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে ব্যবসায়ী এমদাদুল হক এন্তাজের বাড়ি থেকে ৫০ কেজি ওজনের ১৪ বস্তা টিএসপি সার ও ৭ বস্তা পটাশ সার জব্দ করা হয়। পরে অবৈধভাবে সার মজুতের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

জব্দ করা সার কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করে পাওয়া অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দিতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযানের সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার ফিরোজ মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার ফিরোজ মাহমুদ বলেন, ‘কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা সার কেউ অবৈধভাবে মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃষকদের ন্যায্যমূল্যে সারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে এবং অবৈধ মজুত ও অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’