সাহারুল হক সাচ্চু . উল্লাপাড়া ( সিরাজগঞ্জ )
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় এখন মালচিং পদ্ধতিতে খিরা আবাদ করা হচ্ছে। এ পদ্ধতিতে খিরা আবাদকারি কৃষক সংখ্যা বাড়ছে। বর্ধনগাছা মাঠে কয়েকজন পলিথিন (প্লাষ্টিক ) মালচিং পদ্ধতিতে খিরা আবাদ করেছেন।এরইমধ্যে জমিতে লাগানো খিরা বীজ থেকে চারা গজিয়েছে। কৃষক আশরাফুল ইসলামের জমিতে গাছের তিন থেকে চারটি পাতা হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস থেকে জানানো হয় মালচিং পদ্ধতিতে খিরা ফসলের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৫ হেক্টর ধরা আছে। এখন খিরার আবাদ শুরু হয়েছে। বিভিন্ন মাঠে কৃষকেরা মালচিং পদ্ধতিতে খিরার আবাদ করছেন। এরা পলিথিনে ( প্লাষ্টিক) মালচিং করছেন। সরেজমিনে বর্ধনগাছা মাঠে ঘুরে দেখা গেছে কৃষক বেশ কয়েকজন কৃষক মালচিং পদ্ধতিতে খিরার আবাদ করেছেন। এদের তিনজন হলেন আশরাফুল ইসলাম, রুবেল শেখ, ছাইদুর রহমান। এবারের মৌসুমে কৃষক আশরাফুল ইসলাম প্রায় দুই বিঘা জমিতে উন্নত জাতের খিরা ফসলের আবাদ করেছেন। এর মধ্যে ১৫ শতক জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে খিরা আবাদ করেছেন। তিনি পলিথিনে মালচিং পদ্ধতি করেছেন। তিনি নিজ থেকে এবারে প্রথম মালচিং পদ্ধতিতে খিরা আবাদ করছেন বলে জানান। তিনি বলেন মালচিং পদ্ধতিতে আবাদে জমিতে ঘাস আগাছা জন্মাতে পারে না, মাটিতে রস থাকে, সার দেওয়াকালে তা নষ্ট হয়না।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমী বলেন মালচিং পদ্ধতিতে বিভিন্ন ফসলের আবাদে কৃষকেরা আগ্রহী হচ্ছেন। অনেক মাঠে কৃষকেরা মালচিং পদ্ধতিতে ফসলের আবাদ করছেন। ফসলের আবাদ মালচিং পদ্ধতিতে করা হলে সব দিক থেকেই উপকার মেলে। মালচিং পদ্ধতি মাটির আদ্রতা বলতে মাটির রস ও তাপমাত্রা ধরে রাখে, জমিতে আগাছা দমনে সহায়তা করে,মাটির গুনগত মান ধরে রাখে।তিনি আরো বলেন পলিথিন ( প্লাষ্টিক) মালচিং এর বদলে বায়োডিগ্রেডেবল মালচিং পদ্ধতি ব্যবহারে কৃষকদেরকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এরজন্য মাঠ পর্যায়ে উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ কৃষকদের মাঝে এর সব জানাচ্ছেন।




















