রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধিঃ
বাদশা মিয়ারা বেঁচে আছে বলেই আজও সমাজ সুন্দর, সমাজে কর্মঠ লোকের অভাব নেই। বয়সকে প্রাধান্য না দিয়ে আপন গতিতে নিজ কর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন বাদশা মিয়া।
নাম বাদশা মিয়া কালু। বয়স ১০৬ বছর এ বয়সেও কর্ম করে তিনি জীবিকা নির্বাহ করছেন।বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার ৯ নং ভোলাকোট ইউনিয়নের মুক্তারপুর গ্রামে। ৩ ছেলে ৩ মেয়ের জনক কালু মিয়া। ছেলেরা যে যার অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত।মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন অনেক আগেই। গ্রামে গ্রামে ঘুরে শুটকি বিক্রি করা তার পেশা।সেই ছোটকাল থেকেই ডাল শুটকি বিক্রি করে আসছেন তিনি। তখন তিনি ডাল শুটকি বিক্রি করতেন সংসারের টানে।এখন বিক্রি করেন শরীর স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য। বেকার বসে থাকতে ভালো লাগে না। ছেলেরাই তার ভরণপোষণের জোগান দেন।এখন আর পিছুটান নেই বললেই চলে। তারপরও সকাল হলেই শুটকির ডালা মাথায় নিয়ে এ গ্রাম থেকে সে গ্রামে ছুটে যান। এলাকায় তিনি কালু ভাই নামেই অধিক পরিচিত। আবাল,বৃদ্ধ, বনিতা, এমনকি ঘরের বধুরাও চিনেন এই বাদশা মিয়া কালু ভাইকে।তিনি জানান, তার স্ত্রী সব সময় অসুস্থ থাকেন তান চিকিৎসার জন্য অনেক টাকা লাগে, সব সময় ছেলেদের কাছে টাকা চাওয়া যায় না,তাছাড়া শরীর স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে হলেও কাজ করা দরকার। তাই তিনি সকাল বিকাল এ কাজ করেন। ছোট ছেলে কবির হোসেন জানান, বাবাকে মানা করি যেন গ্রামে না যায় কিন্তু শোনেনা।তাই আর এখন কিছু বলিনা।
সাবেক ইউ পি চেয়ারম্যান আবদুর রহিম মজুমদার বলেন,বাদশা মিয়া কালু ভাইকে আমার ছোট বেলা থেকেই চিনি।তিনি আগে থেকেই একজন কর্মঠ লোক।কালু মিয়ারা আমাদের সমাজের অনুপ্রেরণা, তারা আছে বলেই সমাজ আজও সুন্দর। আমাদের সমাজের যুবকরা যদি কালু মিয়াদের পথ অনুস্বরণ করে তাহলে সমাজে আর বেকার থাকবে না।





















