ফরিদপুরে বিদ্যালয় ভবন ও বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন 

ফরিদপুরে বিদ্যালয় ভবন ও বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন 
বিপ্লব কুমার দাস,  ফরিদপুর থেকেঃ
ফরিদপুর সদর উপজেলার শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়ন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। ৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভবন কাম বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন তিনি।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এক জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নে প্রায় ৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত বিদ্যালয়গুলো হলো— সাদিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শোভারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বুকাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং কানাইপুর সাইবেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ শিক্ষার মানোন্নয়ন ও নিরাপদ সুশাসনের প্রতি তাঁর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, “আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আধুনিক, নিরাপদ ও উন্নত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা আমার প্রধান অগ্রাধিকার। এই ভবনগুলো শুধু শিক্ষার আলোই ছড়াবে না, বরং যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে পুরো এলাকার মানুষের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করবে। অবহেলিত ও দূর্যোগপ্রবণ এলাকার সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়নে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।”
অনুষ্ঠানে ফরিদপুর এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো: আজাহারুল ইসলাম প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরে জানান, সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। আধুনিক সুবিধা সংবলিত এই ভবনগুলো নির্মিত হলে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের জন্য বৈষম্যহীন ও মানসম্মত পড়াশোনার সুযোগ তৈরি হবে, অন্যদিকে বন্যাসহ যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য নিশ্চিত হবে নিরাপদ আশ্রয়।
এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, বিএনপি ও তার অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। চৌধুরী নায়াব ইউসুফের এই সময়োপযোগী ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সাধারণ জনগণ।
বিজ্ঞাপন
ট্যাগ
জনপ্রিয়
শেরপুরে পাগলা কুকুরের তাণ্ডব, নারী-শিশুসহ আহত ৮০

শেরপুরে পাগলা কুকুরের তাণ্ডব, নারী-শিশুসহ আহত ৮০

ফরিদপুরে বিদ্যালয় ভবন ও বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন 

আপডেট সময় : ১১:২৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিপ্লব কুমার দাস,  ফরিদপুর থেকেঃ
ফরিদপুর সদর উপজেলার শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়ন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। ৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভবন কাম বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন তিনি।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এক জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নে প্রায় ৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত বিদ্যালয়গুলো হলো— সাদিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শোভারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বুকাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং কানাইপুর সাইবেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ শিক্ষার মানোন্নয়ন ও নিরাপদ সুশাসনের প্রতি তাঁর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, “আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আধুনিক, নিরাপদ ও উন্নত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা আমার প্রধান অগ্রাধিকার। এই ভবনগুলো শুধু শিক্ষার আলোই ছড়াবে না, বরং যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে পুরো এলাকার মানুষের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করবে। অবহেলিত ও দূর্যোগপ্রবণ এলাকার সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়নে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।”
অনুষ্ঠানে ফরিদপুর এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো: আজাহারুল ইসলাম প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরে জানান, সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। আধুনিক সুবিধা সংবলিত এই ভবনগুলো নির্মিত হলে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের জন্য বৈষম্যহীন ও মানসম্মত পড়াশোনার সুযোগ তৈরি হবে, অন্যদিকে বন্যাসহ যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য নিশ্চিত হবে নিরাপদ আশ্রয়।
এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, বিএনপি ও তার অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। চৌধুরী নায়াব ইউসুফের এই সময়োপযোগী ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সাধারণ জনগণ।
বিজ্ঞাপন