নেত্রকোনার কাঁচা বাজারে সবজির দাম নাগালের বাইরে,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস 

নেত্রকোনার কাঁচা বাজারে সবজির দাম নাগালের বাইরে,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস 

filter: 0; jpegRotation: 0; fileterIntensity: 0.000000; filterMask: 0; module:1facing:0; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: Night; cct_value: 0; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 55.0; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0;

বিজয় চন্দ্র দাস,নেত্রকোনা:

নেত্রকোনার সবজির বাজারে সবজির দাম আকাশছোঁয়া।বর্ষাশেষে সবজির উঁচু জমিতে উৎপাদিত বিভিন্ন সবজি বাজারে আসতে শুরু করলেও বাজারে অধিকাংশ সবজির দাম হাতের নাগালের বাইরে চলে গেছে। ফলে নিম্ন আয়ের ক্রেতারা সবজি ক্রয় করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন।
খুচরা ব্যবসায়ীরা বাজারে সবজির আমদানি কম বলে দাম বেশি, সরবরাহ বাড়লে দাম কমে যাবে বলে দাবি করছেন। বন্যায় অনেক স্থানে চাষ করা সবজি নষ্ট হয়ে গেছে বলে ও অনেক ব্যবসায়ী এর দাম বাড়ার কারণ হিসেবে দায়ি করছেন।
ছোট বাজারে অবস্থিত তরকারি মহলে ঘুরে সরেজমিনে দেখা গেছে,বেশিরভাগ সবজিই বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১০০-১৪০ টাকা কেজি দরে।করলা বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে। চাহিদা পূরণের জন্য অনেক সবজি আসে ঢাকা,ময়মনসিংহ,রাজশাহী, বগুড়া, টাঙ্গাইল ,কিশোরগঞ্জ জেলার বিভিন্ন বাজার থেকে।
আনন্দবাজার কাঁচা বাজারে কেজিপ্রতি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৭০–৮০ টাকায়, পটল ৪০–৫০ টাকায়, কাকরোল ৪০–৫০ টাকায়, মুলা ২০–৩০ টাকায়, কাঁচা পেঁপে১৫–২০ টাকায় এবং বিভিন্ন কচুমুখি ৪০–৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।লাল শাক ৪০-৫০ টাকা কেজি,ডাটা শাক ৫০,মুলা৫০- ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে হচ্ছে।
ঘুষের বাজারে আগাম সবজির মধ্যে স্থানীয় টমেটো ১৩০–১৫০ টাকায়, আমদানিকৃত টমেটো ১০০ টাকায়, সিম ১৪০ টাকায়, ফুলকপি ৯০–১০০ টাকায় এবং ধনিয়া পাতা ২০০ টাকায় কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।কেজিপ্রতি কাঁচামরিচ ১৫০ টাকার উপরে বিক্রি হচ্ছে।শিম বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৪৯ টাকা কেজি দরে।
আখড়ার মোড় কাঁচাবাজারে ক্রেতা সাদিকুল ইসলাম বলেন,“বাজারে শাকসবজির দাম অনেক বেশি। নিম্ন আয়ের মানুষের শাকসবজি ক্রয় করতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে।এ বাজার কবে নিয়ন্ত্রণে আসে জানিনা।আদা দেড়শ টাকা কেজি হয়েছে।৫০-৬০ টাকার নিচে কুমড়া কেনা যায় না।
মেছুয়া বাজারে বিক্রেতা মনোরঞ্জন সাহা জানান,  আগাম সবজির চাহিদা বেশি হওয়ায় দামও অনেক বেশি। তবে পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ১৫-২৯ টাকা,বড়বটি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা কেজি দরে,যা আগে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতো। শীতের সবজি এলেই দাম কমে যাবে।
 সবজি বিক্রেতা হেলিম মিয়া বলেন, “কাচা জিনিসপত্রের দাম কমতে শুরু করেছে। বিভিন্ন শাক সবজির দাম এখন কিছুটা দাম নিয়ন্ত্রণে আছে। কিছুদিন আগে কাঁচা মরিচের দাম ছিল ৪০০–৩০০ টাকা কেজি। এখন ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।বেগুন আগে ৮০–১০০ টাকা, এখন খুচরা বিক্রি ৬০ টাকায়, পাইকারি ৫০ টাকায়।
ট্যাগ
জনপ্রিয়
নীলফামারীতে ১৩তম উপজেলা স্কাউট সমাবেশ শুরু

নীলফামারীতে ১৩তম উপজেলা স্কাউট সমাবেশ শুরু

নেত্রকোনার কাঁচা বাজারে সবজির দাম নাগালের বাইরে,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস 

আপডেট সময় : ০৬:০১:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিজয় চন্দ্র দাস,নেত্রকোনা:

নেত্রকোনার সবজির বাজারে সবজির দাম আকাশছোঁয়া।বর্ষাশেষে সবজির উঁচু জমিতে উৎপাদিত বিভিন্ন সবজি বাজারে আসতে শুরু করলেও বাজারে অধিকাংশ সবজির দাম হাতের নাগালের বাইরে চলে গেছে। ফলে নিম্ন আয়ের ক্রেতারা সবজি ক্রয় করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন।
খুচরা ব্যবসায়ীরা বাজারে সবজির আমদানি কম বলে দাম বেশি, সরবরাহ বাড়লে দাম কমে যাবে বলে দাবি করছেন। বন্যায় অনেক স্থানে চাষ করা সবজি নষ্ট হয়ে গেছে বলে ও অনেক ব্যবসায়ী এর দাম বাড়ার কারণ হিসেবে দায়ি করছেন।
ছোট বাজারে অবস্থিত তরকারি মহলে ঘুরে সরেজমিনে দেখা গেছে,বেশিরভাগ সবজিই বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১০০-১৪০ টাকা কেজি দরে।করলা বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে। চাহিদা পূরণের জন্য অনেক সবজি আসে ঢাকা,ময়মনসিংহ,রাজশাহী, বগুড়া, টাঙ্গাইল ,কিশোরগঞ্জ জেলার বিভিন্ন বাজার থেকে।
আনন্দবাজার কাঁচা বাজারে কেজিপ্রতি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৭০–৮০ টাকায়, পটল ৪০–৫০ টাকায়, কাকরোল ৪০–৫০ টাকায়, মুলা ২০–৩০ টাকায়, কাঁচা পেঁপে১৫–২০ টাকায় এবং বিভিন্ন কচুমুখি ৪০–৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।লাল শাক ৪০-৫০ টাকা কেজি,ডাটা শাক ৫০,মুলা৫০- ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে হচ্ছে।
ঘুষের বাজারে আগাম সবজির মধ্যে স্থানীয় টমেটো ১৩০–১৫০ টাকায়, আমদানিকৃত টমেটো ১০০ টাকায়, সিম ১৪০ টাকায়, ফুলকপি ৯০–১০০ টাকায় এবং ধনিয়া পাতা ২০০ টাকায় কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।কেজিপ্রতি কাঁচামরিচ ১৫০ টাকার উপরে বিক্রি হচ্ছে।শিম বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৪৯ টাকা কেজি দরে।
আখড়ার মোড় কাঁচাবাজারে ক্রেতা সাদিকুল ইসলাম বলেন,“বাজারে শাকসবজির দাম অনেক বেশি। নিম্ন আয়ের মানুষের শাকসবজি ক্রয় করতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে।এ বাজার কবে নিয়ন্ত্রণে আসে জানিনা।আদা দেড়শ টাকা কেজি হয়েছে।৫০-৬০ টাকার নিচে কুমড়া কেনা যায় না।
মেছুয়া বাজারে বিক্রেতা মনোরঞ্জন সাহা জানান,  আগাম সবজির চাহিদা বেশি হওয়ায় দামও অনেক বেশি। তবে পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ১৫-২৯ টাকা,বড়বটি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা কেজি দরে,যা আগে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতো। শীতের সবজি এলেই দাম কমে যাবে।
 সবজি বিক্রেতা হেলিম মিয়া বলেন, “কাচা জিনিসপত্রের দাম কমতে শুরু করেছে। বিভিন্ন শাক সবজির দাম এখন কিছুটা দাম নিয়ন্ত্রণে আছে। কিছুদিন আগে কাঁচা মরিচের দাম ছিল ৪০০–৩০০ টাকা কেজি। এখন ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।বেগুন আগে ৮০–১০০ টাকা, এখন খুচরা বিক্রি ৬০ টাকায়, পাইকারি ৫০ টাকায়।