শান্তি ও উন্নয়নে পার্বত্য চট্টগ্রামকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী হেলাল

শান্তি ও উন্নয়নে পার্বত্য চট্টগ্রামকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী হেলাল

রাঙামাটি প্রতিনিধি

শান্তি ও উন্নয়নে সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামকে আলাদা গুরুত্ব দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে  রাঙামাটি জেলা শহরের ট্রাইবেল আদম এলাকায়  রাঙামাটি জেলা আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি ও উন্নয়নে সরকার উচ্চপর্যায়ে তিনটি কমিটি গঠন করেছে।  আমরা প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করি। এরপর সেগুলো সমাধানের উদ্যোগ নিই। দুর্গম পাহাড়ে মা-বোনেরা দুর্গম পথ মাড়িয়ে পানি সংগ্রহ করতেন। এখন সোলার প্যানেলের মাধ্যমে ঘরের দুয়ারে পানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ফিল্টারিংয়ের মাধ্যমে সেই পানি বিশুদ্ধও করা হচ্ছে।’

তথ্য কমপ্লেক্স প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি শুধু একটি ভবন নয়, এর নির্মাণের পেছনে একটি উদ্দেশ্য রয়েছে। তথ্য অফিসের ফ্যাক্টচেকিং কার্যক্রম গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে নৈতিক অবক্ষয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে সহায়তা হবে।

ফ্রিল্যান্সিং প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ছেলে-মেয়েরা ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাজ করে বৈদেশিক রেমিট্যান্স দেশে আনছেন। বর্তমান সরকারের সময়ে বৈধ উপায়ে এসব অর্থ দেশে আনার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ছিলেন রাঙামাটি-২৯৯ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান এমপি।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপু, আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমরানুল হক ভূঁইয়া বক্তব্য দেন।

জেলা তথ্য অফিস জানায়, সাত বিভাগে সাতটি এবং ১৯টি জেলায় ১৯টিসহ মোট ২৬টি পাঁচতলা আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ্ছে। এসব ভবনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি মাল্টিমিডিয়া কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

ট্যাগ
জনপ্রিয়
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় স্ববল প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন প্রজাতির ৪ সহস্রাধিক গাছের চারা বিতরণ 

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় স্ববল প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন প্রজাতির ৪ সহস্রাধিক গাছের চারা বিতরণ 

শান্তি ও উন্নয়নে পার্বত্য চট্টগ্রামকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী হেলাল

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাঙামাটি প্রতিনিধি

শান্তি ও উন্নয়নে সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামকে আলাদা গুরুত্ব দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে  রাঙামাটি জেলা শহরের ট্রাইবেল আদম এলাকায়  রাঙামাটি জেলা আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি ও উন্নয়নে সরকার উচ্চপর্যায়ে তিনটি কমিটি গঠন করেছে।  আমরা প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করি। এরপর সেগুলো সমাধানের উদ্যোগ নিই। দুর্গম পাহাড়ে মা-বোনেরা দুর্গম পথ মাড়িয়ে পানি সংগ্রহ করতেন। এখন সোলার প্যানেলের মাধ্যমে ঘরের দুয়ারে পানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ফিল্টারিংয়ের মাধ্যমে সেই পানি বিশুদ্ধও করা হচ্ছে।’

তথ্য কমপ্লেক্স প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি শুধু একটি ভবন নয়, এর নির্মাণের পেছনে একটি উদ্দেশ্য রয়েছে। তথ্য অফিসের ফ্যাক্টচেকিং কার্যক্রম গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে নৈতিক অবক্ষয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে সহায়তা হবে।

ফ্রিল্যান্সিং প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ছেলে-মেয়েরা ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাজ করে বৈদেশিক রেমিট্যান্স দেশে আনছেন। বর্তমান সরকারের সময়ে বৈধ উপায়ে এসব অর্থ দেশে আনার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ছিলেন রাঙামাটি-২৯৯ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান এমপি।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপু, আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমরানুল হক ভূঁইয়া বক্তব্য দেন।

জেলা তথ্য অফিস জানায়, সাত বিভাগে সাতটি এবং ১৯টি জেলায় ১৯টিসহ মোট ২৬টি পাঁচতলা আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ্ছে। এসব ভবনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি মাল্টিমিডিয়া কার্যক্রম পরিচালিত হবে।