প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ৫৪০ ডিগনিটি কিট বিতরণ

প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ৫৪০ ডিগনিটি কিট বিতরণ
কুড়িগ্রামের চর ও প্রত্যন্ত এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ কিশোরী এবং গর্ভবতী নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে ৫৪০ জন উপকারভোগীর মাঝে ডিগনিটি কিট বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছী ও ঘোগাদহ ইউনিয়নে পৃথক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব কিট বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এটিএম বেনজির রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী নিত্যানন্দ বর্মণ, ঘোগাদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক সরকার, মাল্টিজার ইন্টারন্যাশনালের প্রকল্প সমন্বয়কারী শহিদুল ইসলাম, এএফএডির নির্বাহী প্রধান সাইদা ইয়াসমিন এবং প্রকল্প সমন্বয়কারী রফিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
দাতা সংস্থা মাল্টিজার ইন্টারন্যাশনাল ও অ্যাকশন ডয়েচল্যান্ড হিলফট-এর আর্থিক সহায়তায় এবং স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা অ্যাসোসিয়েশন ফর অল্টারনেটিভ ডেভেলপমেন্ট (এএফএডি)-এর উদ্যোগে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।
প্রতিটি ডিগনিটি কিটে ছিল ১৩ ধরনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী। এর মধ্যে রয়েছে স্যানিটারি প্যাড, অন্তর্বাস, গামছা, সাবান, টুথপেস্ট, টুথব্রাশ, ব্যাগ, টর্চলাইট, স্যান্ডেল, চিরুনি, নখ কাটার এবং একটি বালতি।
ঘোগাদহ ইউনিয়নের দোবারিয়ার ভিটা গ্রামের কিশোরী পারভীন বেগম বলেন, “এই উপকরণগুলো পেয়ে খুব ভালো লাগছে। অনেক প্রয়োজনীয় জিনিস আছে, যা আমাদের পক্ষে সব সময় কেনা সম্ভব হয় না।”
পাঁচগাছী মুসল্লীপাড়া গ্রামের সাজিরণ বেগম বলেন, “এসব স্বাস্থ্যসামগ্রী নিয়মিত ব্যবহার করা দরকার। এগুলো শেষ হলে যেন আবার কিনে দেয়, সে বিষয়টি স্বামীকে বুঝিয়ে বলব।”
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, নারীর স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি প্রত্যন্ত এলাকার নারীদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, শুধু নারীদের নয়, পুরুষদেরও এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। নারীর ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে সংকোচ নয়, বরং সহমর্মিতা ও সহযোগিতার মানসিকতা গড়ে তোলাই সময়ের দাবি।
ট্যাগ
জনপ্রিয়
প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ৫৪০ ডিগনিটি কিট বিতরণ

প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ৫৪০ ডিগনিটি কিট বিতরণ

প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ৫৪০ ডিগনিটি কিট বিতরণ

আপডেট সময় : ১০:৪৪:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুড়িগ্রামের চর ও প্রত্যন্ত এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ কিশোরী এবং গর্ভবতী নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে ৫৪০ জন উপকারভোগীর মাঝে ডিগনিটি কিট বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছী ও ঘোগাদহ ইউনিয়নে পৃথক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব কিট বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এটিএম বেনজির রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী নিত্যানন্দ বর্মণ, ঘোগাদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক সরকার, মাল্টিজার ইন্টারন্যাশনালের প্রকল্প সমন্বয়কারী শহিদুল ইসলাম, এএফএডির নির্বাহী প্রধান সাইদা ইয়াসমিন এবং প্রকল্প সমন্বয়কারী রফিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
দাতা সংস্থা মাল্টিজার ইন্টারন্যাশনাল ও অ্যাকশন ডয়েচল্যান্ড হিলফট-এর আর্থিক সহায়তায় এবং স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা অ্যাসোসিয়েশন ফর অল্টারনেটিভ ডেভেলপমেন্ট (এএফএডি)-এর উদ্যোগে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।
প্রতিটি ডিগনিটি কিটে ছিল ১৩ ধরনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী। এর মধ্যে রয়েছে স্যানিটারি প্যাড, অন্তর্বাস, গামছা, সাবান, টুথপেস্ট, টুথব্রাশ, ব্যাগ, টর্চলাইট, স্যান্ডেল, চিরুনি, নখ কাটার এবং একটি বালতি।
ঘোগাদহ ইউনিয়নের দোবারিয়ার ভিটা গ্রামের কিশোরী পারভীন বেগম বলেন, “এই উপকরণগুলো পেয়ে খুব ভালো লাগছে। অনেক প্রয়োজনীয় জিনিস আছে, যা আমাদের পক্ষে সব সময় কেনা সম্ভব হয় না।”
পাঁচগাছী মুসল্লীপাড়া গ্রামের সাজিরণ বেগম বলেন, “এসব স্বাস্থ্যসামগ্রী নিয়মিত ব্যবহার করা দরকার। এগুলো শেষ হলে যেন আবার কিনে দেয়, সে বিষয়টি স্বামীকে বুঝিয়ে বলব।”
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, নারীর স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি প্রত্যন্ত এলাকার নারীদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, শুধু নারীদের নয়, পুরুষদেরও এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। নারীর ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে সংকোচ নয়, বরং সহমর্মিতা ও সহযোগিতার মানসিকতা গড়ে তোলাই সময়ের দাবি।