কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জ জেলার হাওরের প্রবেশদ্বার খ্যাত পরিচিত নিকলী উপজেলার হাওরে ঘুরতে আসা পর্যটকদের মানসম্মত খাবারের নির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠেছে নিকলী নতুন বাজার চৌরাস্তা মোড়ে অবস্থিত হোটেল সারেবাইশ।
হোটেলটি সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত দেশীয় নানা প্রজাতির মাছ মাংসের খাবার পরিবেশনের মাধ্যমে পর্যটকদের মন কেড়েছে।
এ হোটেলে সকালে নাস্তা হিসেবে পরোটা, সবজি ডাল ডিম পাওয়া যায়। দুপুরে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও মাংসের লোভনীয় খাবার পাওয়া যায়।পাশাপাশি চিকেন ও কাচ্চি বিরিয়ানি পাওয়া যায়। সন্ধ্যা থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত রাতের খাবার হিসেবে চিকেন চাপ, মাসালা, গ্রীল, নান ও দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও মাংসের লোভনীয় খাবার পাওয়া যায়। সাশ্রয়ী মূল্যে ভাল মানের খাবার পরিবেশনের মাধ্যমে পর্যটকের স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের নিশ্চয়তা দিয়ে থাকে হোটেল সাড়েবাইশ।
সকাল সন্ধ্যা রাত পর্যন্ত আবাল বৃদ্ধ বণিতা ভোজন রসিক গণ এই হোটেলে আসেন তৃপ্তি সহকারে খাবার গ্রহণ করতে। এই হোটেলের খাবারের মান যেমন ভাল তেমনি দাম সাধ্য ও নাগালের মধ্যেই থাকে। এই হোটেলটিতে সারাক্ষণ খাবার খেতে আসা ভোজনরসিকদের ভীড় লেগেই থাকে। ভীন্নধর্মি এক নামকরণের মাধ্যমে হোটেলটি যেমন ভীন্ন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু করেছে। তেমনি ভাল খাবারের নিশ্চয়তা দিয়ে পর্যটক ও স্থানীয়দের মন কেড়েছে।
সারেবাইশ হোটেলে যেতে আসা ভোজন রসিকরা জানান, এই হোটেলের খাবার অনেক ভাল। দামে কম কিন্তু মানে ভাল।তাই আমরা নিকলী আসলে হোটেল সাড়েবাইশ এ রেগুলার আসি। তৃপ্তি সহকারে খাবার গ্রহণ করি।
সারেবাইশ হোটেলের স্বত্ত্বাধীকারি শাওয়াল মিয়া জানান, আমরা দক্ষ ও অভিজ্ঞ কারিগর দিয়ে খাবার তেরি করে থাকি।তা ছাড়া মানসম্মত উপায়ে খাবার পরিবেশন করে আমরা সার্ভিস দিয়ে
থাকি যাতে ভোজন রসিকরা তৃপ্তি সহকারে খাবার খেতে পারে।তাই নিকলী হাওরে ঘুরতে আসা পর্যটক সহ স্থানীয় সবাইকে হোটেল সাড়েবাইশ এ আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
কিশোরগঞ্জ জেলার হাওরের প্রবেশদ্বার খ্যাত পরিচিত নিকলী উপজেলার হাওরে ঘুরতে আসা পর্যটকদের মানসম্মত খাবারের নির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠেছে নিকলী নতুন বাজার চৌরাস্তা মোড়ে অবস্থিত হোটেল সারেবাইশ।
হোটেলটি সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত দেশীয় নানা প্রজাতির মাছ মাংসের খাবার পরিবেশনের মাধ্যমে পর্যটকদের মন কেড়েছে।
এ হোটেলে সকালে নাস্তা হিসেবে পরোটা, সবজি ডাল ডিম পাওয়া যায়। দুপুরে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও মাংসের লোভনীয় খাবার পাওয়া যায়।পাশাপাশি চিকেন ও কাচ্চি বিরিয়ানি পাওয়া যায়। সন্ধ্যা থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত রাতের খাবার হিসেবে চিকেন চাপ, মাসালা, গ্রীল, নান ও দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও মাংসের লোভনীয় খাবার পাওয়া যায়। সাশ্রয়ী মূল্যে ভাল মানের খাবার পরিবেশনের মাধ্যমে পর্যটকের স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের নিশ্চয়তা দিয়ে থাকে হোটেল সাড়েবাইশ।
সকাল সন্ধ্যা রাত পর্যন্ত আবাল বৃদ্ধ বণিতা ভোজন রসিক গণ এই হোটেলে আসেন তৃপ্তি সহকারে খাবার গ্রহণ করতে। এই হোটেলের খাবারের মান যেমন ভাল তেমনি দাম সাধ্য ও নাগালের মধ্যেই থাকে। এই হোটেলটিতে সারাক্ষণ খাবার খেতে আসা ভোজনরসিকদের ভীড় লেগেই থাকে। ভীন্নধর্মি এক নামকরণের মাধ্যমে হোটেলটি যেমন ভীন্ন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু করেছে। তেমনি ভাল খাবারের নিশ্চয়তা দিয়ে পর্যটক ও স্থানীয়দের মন কেড়েছে।
সারেবাইশ হোটেলে যেতে আসা ভোজন রসিকরা জানান, এই হোটেলের খাবার অনেক ভাল। দামে কম কিন্তু মানে ভাল।তাই আমরা নিকলী আসলে হোটেল সাড়েবাইশ এ রেগুলার আসি। তৃপ্তি সহকারে খাবার গ্রহণ করি।
সারেবাইশ হোটেলের স্বত্ত্বাধীকারি শাওয়াল মিয়া জানান, আমরা দক্ষ ও অভিজ্ঞ কারিগর দিয়ে খাবার তেরি করে থাকি।তা ছাড়া মানসম্মত উপায়ে খাবার পরিবেশন করে আমরা সার্ভিস দিয়ে
থাকি যাতে ভোজন রসিকরা তৃপ্তি সহকারে খাবার খেতে পারে।তাই নিকলী হাওরে ঘুরতে আসা পর্যটক সহ স্থানীয় সবাইকে হোটেল সাড়েবাইশ এ আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।




















