মাদারীপুর প্রতিনিধি:
মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজে প্রায় ১৫ হাজার বস্তা আলু পচে নষ্ট হওয়ার ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। একাত্তর টেলিভিশনে এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রচারের পর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্তের উদ্যোগ নেয় জেলা প্রশাসন।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজে প্রায় ১৫ হাজার বস্তা আলু পচে নষ্ট হওয়ার সংবাদ একাত্তর টেলিভিশনে প্রচারিত হয়। সংবাদ প্রচারের পরই বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে জেলা প্রশাসন।
জানা গেছে, অধিক মুনাফার আশায় দীর্ঘদিন কোল্ড স্টোরেজে সংরক্ষণ করে রাখায় এসব আলু পচে নষ্ট হয়েছে। ৬০ কেজি ওজনের প্রায় ১৫ হাজার বস্তায় থাকা আলুর পরিমাণ প্রায় ২২ হাজার ৫০০ মণ। পচে যাওয়া এসব আলুর বর্তমান খুচরা বাজারমূল্য প্রায় ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা বলে জানা গেছে।ইতোমধ্যে পচে যাওয়া আলু স্থানীয় কৃষক ও খামারিদের মধ্যে বিনামূল্যে গরুর খাবার হিসেবে বিতরণ করা হচ্ছে।
মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার বলেন, বিষয়টি নজরে আসার পরই গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে। আলু কী কারণে পচে নষ্ট হয়েছে, এখানে কারও গাফিলতি ছিল কি না, কোল্ড স্টোরেজটির বৈধ লাইসেন্স রয়েছে কি না এবং এর ধারণক্ষমতা কতটুকু—এসব বিষয় তদন্তে বেরিয়ে আসবে।তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজে প্রায় ১৫ হাজার বস্তা আলু পচে নষ্ট হওয়ার সংবাদ একাত্তর টেলিভিশনে প্রচারিত হয়। সংবাদ প্রচারের পরই বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে জেলা প্রশাসন।
জানা গেছে, অধিক মুনাফার আশায় দীর্ঘদিন কোল্ড স্টোরেজে সংরক্ষণ করে রাখায় এসব আলু পচে নষ্ট হয়েছে। ৬০ কেজি ওজনের প্রায় ১৫ হাজার বস্তায় থাকা আলুর পরিমাণ প্রায় ২২ হাজার ৫০০ মণ। পচে যাওয়া এসব আলুর বর্তমান খুচরা বাজারমূল্য প্রায় ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা বলে জানা গেছে।ইতোমধ্যে পচে যাওয়া আলু স্থানীয় কৃষক ও খামারিদের মধ্যে বিনামূল্যে গরুর খাবার হিসেবে বিতরণ করা হচ্ছে।
মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার বলেন, বিষয়টি নজরে আসার পরই গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে। আলু কী কারণে পচে নষ্ট হয়েছে, এখানে কারও গাফিলতি ছিল কি না, কোল্ড স্টোরেজটির বৈধ লাইসেন্স রয়েছে কি না এবং এর ধারণক্ষমতা কতটুকু—এসব বিষয় তদন্তে বেরিয়ে আসবে।তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।



















