শনিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুহুল সরকারের মৃত্যু হয়। তাঁর বয়স হয়েছিল ৫০ বছর।
বাবার মৃত্যুর পর ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে মুসাব্বির লিখেছেন, আমার বাপটারে আপনারা মাইরাই ফেললেন? একই পোস্টে তিনি লোহাজুরী ইউনিয়ন বিএনপি ও কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির উদ্দেশে বলেন, শুধুমাত্র আপনাদের জন্য আমার বাপটা এই অসময়ে বিনা চিকিৎসায় মারা গেল। পোস্টটি প্রকাশের পর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং সেখানে বিপুলসংখ্যক মানুষ প্রতিক্রিয়া জানান।
পরিবারের অভিযোগ, কারাগারে কয়েক দিন অসুস্থ থাকার পরও সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধ পাননি রুহুল সরকার। তাঁর বড় ভাই নুরুল আমিনের দাবি, সময়মতো চিকিৎসা পেলে তাঁকে বাঁচানো সম্ভব ছিল।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের ডেপুটি জেলার সেলিনা আক্তার রেখা বলেন, আগে থেকে তাঁর অসুস্থতার বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষ জানত না। হঠাৎ শ্বাসকষ্ট তীব্র হলে প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যে তাঁকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। পরে ঢাকায় নেওয়া হলে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ওমরাহ শেষে দেশে ফেরার কয়েক দিনের মধ্যে গত ৮ সেপ্টেম্বর কটিয়াদী মডেল থানার পুলিশ রুহুল সরকারকে গ্রেপ্তার করে। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
























