যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

রাজন্য রুহানি, জামালপুর:

জামালপুরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতনের পর শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে পলাতক স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জনি মিয়া (৩৭) সদর উপজেলার বাঁশচড়া ইউনিয়নের দড়িমহলপুর এলাকার ইয়াকুব আলীর ছেলে।

বিজ্ঞাপন

মামলাসূত্রে জানা গেছে, জনি মিয়ার সঙ্গে সদর উপজেলার দড়িহামিদপুর এলাকার হমিদুর রহমানের মেয়ে তমা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্ত্রীর কাছে অটোরিকশা কেনার জন্য আড়াই লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিলেন জনি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ দেখা দেয়। যৌতুকের জন্য জনি প্রায়ই তাঁর স্ত্রীকে শারিরীক নির্যাতন করতেন।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. ফজলুল হক জানান, প্রায় ১১ বছর আগে ২০১৫ সালের ১৯ মার্চ যৌতুকের টাকার দাবিতে ওই গৃহবধূকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে বিষয়টিকে ‘আত্মহত্যা’ বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে আসামিরা।

তিনি আরও জানান- এই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আজ জনির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ এই শাস্তির আদেশ দেন আদালত।

ট্যাগ
জনপ্রিয়
ইবি জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়ার উদ্যোগে আলিম উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

ইবি জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়ার উদ্যোগে আলিম উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০৪:২০:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

রাজন্য রুহানি, জামালপুর:

জামালপুরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতনের পর শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে পলাতক স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জনি মিয়া (৩৭) সদর উপজেলার বাঁশচড়া ইউনিয়নের দড়িমহলপুর এলাকার ইয়াকুব আলীর ছেলে।

বিজ্ঞাপন

মামলাসূত্রে জানা গেছে, জনি মিয়ার সঙ্গে সদর উপজেলার দড়িহামিদপুর এলাকার হমিদুর রহমানের মেয়ে তমা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্ত্রীর কাছে অটোরিকশা কেনার জন্য আড়াই লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিলেন জনি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ দেখা দেয়। যৌতুকের জন্য জনি প্রায়ই তাঁর স্ত্রীকে শারিরীক নির্যাতন করতেন।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. ফজলুল হক জানান, প্রায় ১১ বছর আগে ২০১৫ সালের ১৯ মার্চ যৌতুকের টাকার দাবিতে ওই গৃহবধূকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে বিষয়টিকে ‘আত্মহত্যা’ বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে আসামিরা।

তিনি আরও জানান- এই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আজ জনির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ এই শাস্তির আদেশ দেন আদালত।