কৃষিকাজ করে সন্তানকে উচ্চশিক্ষিত করতে চান প্রীতি সিং

কৃষিকাজ করে সন্তানকে উচ্চশিক্ষিত করতে চান প্রীতি সিং

সাহারুল হক সাচ্চু, উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ):

চলনবিল অঞ্চলের নওগাঁর সমতল ভূমিতে কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সিং পরিবারের নারীরা। দিনমজুর হিসেবে মাঠে কাজ করে সংসারের আয় বাড়ানোর পাশাপাশি সন্তানকে শিক্ষিত করে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন প্রীতি সিং। তাঁর ইচ্ছা, একমাত্র ছেলে প্রিতম সিংকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করবেন।

সম্প্রতি চলনবিল অঞ্চলের শরিফাবাদ মাঠে একটি ফুলকপির জমিতে ঘাস নিড়ানির কাজ করছিলেন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সিং পরিবারের চার নারী। তাঁরা হলেন ফুলমালা সিং, বরুনা সিং, মীরা সিং ও প্রীতি সিং। দলবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করা এই নারীরা দিন হাজিরায় ৪০০ টাকা মজুরি পান বলে জানান। তবে বর্তমানে মাঠে কৃষিকাজের পরিমাণ কম থাকায় প্রতিদিন কাজ পাওয়ার সুযোগ হয় না তাঁদের।

বিজ্ঞাপন

চার নারীর মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সী প্রীতি সিংয়ের বয়স প্রায় ২১ বছর। তাঁর স্বামী সুভাষ সিংও কৃষিকাজে দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন। কৃষিশ্রমের আয়ে চলে তাঁদের সংসার। তাঁদের একমাত্র ছেলে প্রিতম সিং নিজ গ্রামের একটি পাঠশালায় পড়ালেখা করছে।

প্রীতি সিং বলেন, ছেলেকে পড়ালেখা শিখিয়ে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করাই তাঁর মনের ইচ্ছা। অভাব-অনটনের মধ্যেও তিনি ছেলের লেখাপড়া চালিয়ে যেতে চান, যাতে ভবিষ্যতে সে শিক্ষিত হয়ে নিজের জীবন সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারে।

কৃষিকাজে কঠোর পরিশ্রম করে সংসার চালানোর পাশাপাশি সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখেন প্রীতি সিং। তাঁর কাছে ছেলের পড়াশোনা ও উচ্চশিক্ষা অর্জনের স্বপ্নই ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।

ট্যাগ
জনপ্রিয়
ইবি জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়ার উদ্যোগে আলিম উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

ইবি জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়ার উদ্যোগে আলিম উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

কৃষিকাজ করে সন্তানকে উচ্চশিক্ষিত করতে চান প্রীতি সিং

আপডেট সময় : ০৯:৩২:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

সাহারুল হক সাচ্চু, উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ):

চলনবিল অঞ্চলের নওগাঁর সমতল ভূমিতে কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সিং পরিবারের নারীরা। দিনমজুর হিসেবে মাঠে কাজ করে সংসারের আয় বাড়ানোর পাশাপাশি সন্তানকে শিক্ষিত করে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন প্রীতি সিং। তাঁর ইচ্ছা, একমাত্র ছেলে প্রিতম সিংকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করবেন।

সম্প্রতি চলনবিল অঞ্চলের শরিফাবাদ মাঠে একটি ফুলকপির জমিতে ঘাস নিড়ানির কাজ করছিলেন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সিং পরিবারের চার নারী। তাঁরা হলেন ফুলমালা সিং, বরুনা সিং, মীরা সিং ও প্রীতি সিং। দলবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করা এই নারীরা দিন হাজিরায় ৪০০ টাকা মজুরি পান বলে জানান। তবে বর্তমানে মাঠে কৃষিকাজের পরিমাণ কম থাকায় প্রতিদিন কাজ পাওয়ার সুযোগ হয় না তাঁদের।

বিজ্ঞাপন

চার নারীর মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সী প্রীতি সিংয়ের বয়স প্রায় ২১ বছর। তাঁর স্বামী সুভাষ সিংও কৃষিকাজে দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন। কৃষিশ্রমের আয়ে চলে তাঁদের সংসার। তাঁদের একমাত্র ছেলে প্রিতম সিং নিজ গ্রামের একটি পাঠশালায় পড়ালেখা করছে।

প্রীতি সিং বলেন, ছেলেকে পড়ালেখা শিখিয়ে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করাই তাঁর মনের ইচ্ছা। অভাব-অনটনের মধ্যেও তিনি ছেলের লেখাপড়া চালিয়ে যেতে চান, যাতে ভবিষ্যতে সে শিক্ষিত হয়ে নিজের জীবন সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারে।

কৃষিকাজে কঠোর পরিশ্রম করে সংসার চালানোর পাশাপাশি সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখেন প্রীতি সিং। তাঁর কাছে ছেলের পড়াশোনা ও উচ্চশিক্ষা অর্জনের স্বপ্নই ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।