আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গভীর নলকূপ অধিগ্রহণের চেষ্টার অভিযোগ

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গভীর নলকূপ অধিগ্রহণের চেষ্টার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া: বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার জামালপুর গ্রামে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও গভীর নলকূপ অধিগ্রহণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে নন্দীগ্রাম থানার জামালপুর গ্রামে, গুলিয়া কৃষ্ণপুর পোস্ট অফিস এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগকারী মো. তারেক রহমান, পিতা—নয়মদ্দিন পরামানিকের দাবি, আদালতের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকা অবস্থায় মো. মোজাহার হোসেন, পিতা—মৃত রসূল সরকার; মো. পলাশ, পিতা—খোরশেদ; শাহাদত, পিতা—মৃত কবেশ এবং কৌশিক, পিতা—মোজাহার হোসেনসহ কয়েকজন ব্যক্তি গভীর নলকূপটি অধিগ্রহণের চেষ্টা করেন।
অভিযোগকারীর ভাষ্য, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও গভীর নলকূপটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে নলকূপটির ব্যবহার ও সেচ কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয়ভাবে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
তিনি আদালতের আদেশ যথাযথভাবে কার্যকর রেখে গভীর নলকূপটির বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তবে আদালতের নিষেধাজ্ঞার সঠিক বিষয়বস্তু এবং গভীর নলকূপ অধিগ্রহণের অভিযোগের সত্যতা সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও উভয় পক্ষের বক্তব্যের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

বিজ্ঞাপন
ট্যাগ
জনপ্রিয়
ফুলবাড়ী সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় গাঁজা ও ইস্কাপ সিরাপ জব্দ

ফুলবাড়ী সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় গাঁজা ও ইস্কাপ সিরাপ জব্দ

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গভীর নলকূপ অধিগ্রহণের চেষ্টার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:৫৬:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া: বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার জামালপুর গ্রামে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও গভীর নলকূপ অধিগ্রহণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে নন্দীগ্রাম থানার জামালপুর গ্রামে, গুলিয়া কৃষ্ণপুর পোস্ট অফিস এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগকারী মো. তারেক রহমান, পিতা—নয়মদ্দিন পরামানিকের দাবি, আদালতের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকা অবস্থায় মো. মোজাহার হোসেন, পিতা—মৃত রসূল সরকার; মো. পলাশ, পিতা—খোরশেদ; শাহাদত, পিতা—মৃত কবেশ এবং কৌশিক, পিতা—মোজাহার হোসেনসহ কয়েকজন ব্যক্তি গভীর নলকূপটি অধিগ্রহণের চেষ্টা করেন।
অভিযোগকারীর ভাষ্য, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও গভীর নলকূপটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে নলকূপটির ব্যবহার ও সেচ কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয়ভাবে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
তিনি আদালতের আদেশ যথাযথভাবে কার্যকর রেখে গভীর নলকূপটির বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তবে আদালতের নিষেধাজ্ঞার সঠিক বিষয়বস্তু এবং গভীর নলকূপ অধিগ্রহণের অভিযোগের সত্যতা সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও উভয় পক্ষের বক্তব্যের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

বিজ্ঞাপন