ভারতের সবচেয়ে ভৌতিক জায়গার কথা উঠলেই সাধারণত রাজস্থানের ভাঙ্গড় দুর্গ বা কুলধারার নাম আসে। তবে প্যারানরমাল তদন্তকারী সরবজিত মহান্তির দাবি, এসব জায়গার চেয়েও বেশি রহস্যময় একটি স্থান রয়েছে উত্তরাখণ্ডের লোহাঘাটের কাছে—মুক্তি কোঠরি। তার মতে, এটি ভারতের অন্যতম ভৌতিক স্থান।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।
ব্রিটিশ আমলের এই স্থাপনাটি ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে নানা ভৌতিক গল্প প্রচলিত। কথিত আছে, সেখানে এক চিকিৎসক পরকাল নিয়ে নানা পরীক্ষা চালাতেন এবং রোগীদের মৃত্যুর দিন-তারিখ আগে থেকেই জানার দাবি করতেন। এই গল্পগুলোর কারণেই জায়গাটি নিয়ে মানুষের কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
মুক্তি কোঠরির কাছেই রয়েছে অ্যাবট মাউন্ট চার্চ। পুরো এলাকাটি ঘিরে স্থানীয় লোককথায় নানা রহস্যময় গল্প প্রচলিত রয়েছে। তবে মহান্তির কাছে জায়গাটিকে বিশেষ করে তুলেছে শুধু এসব গল্প নয়, তার নিজের তদন্তের অভিজ্ঞতা।
তবে মহান্তি নিজেই প্যারানরমাল তদন্তকে শুধু ভয় বা গল্পের বিষয় হিসেবে দেখেন না। তার আগের এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, তদন্তের সময় তার দল তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বায়ুচাপ, শব্দ ও তড়িৎচৌম্বক ক্ষেত্রসহ বিভিন্ন পরিবেশগত বিষয় পরীক্ষা করে। তার মতে, অনেক কথিত ‘ভৌতিক’ ঘটনার পেছনে স্বাভাবিক বা বৈজ্ঞানিক কারণ থাকতে পারে।






















