বিপিএল ছাড়াই ক্রিকেটারদের জন্য সুখবর, বাড়ছে ম্যাচ ফি

বিপিএল না হলেও বাড়ছে ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি, নতুন টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের পরিকল্পনা

বিপিএল না হলেও বাড়ছে ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি, নতুন টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের পরিকল্পনা

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের আসর মাঠে না গড়ালেও ঘরোয়া ক্রিকেটারদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ম্যাচ ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। একই সঙ্গে বিপিএলের ঘাটতি পূরণে নতুন একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি ধাঁচের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করছে বোর্ড।

বৃহস্পতিবার ওয়ার্কিং কমিটির সভা শেষে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল ঘরোয়া ক্রিকেটের বিভিন্ন ফরম্যাটে ম্যাচ ফি বাড়ানোর ঘোষণা দেন।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আসন্ন চার দিনের প্রথম শ্রেণির ম্যাচে পুরুষ ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি ১ লাখ থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। এর আগে এই ফি ছিল ৭৫ হাজার টাকা। একদিনের ম্যাচের ম্যাচ ফি দ্বিগুণ করে ১ লাখ টাকা এবং টি-টোয়েন্টি ম্যাচের ফি বাড়িয়ে ৮০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিসিবির হিসাবে, এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রথম সারির একজন ঘরোয়া ক্রিকেটার বছরে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন।

নারী ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফিও বাড়ানো হয়েছে। তিন দিনের নারী ক্রিকেট টুর্নামেন্টকে চার দিনে রূপান্তর করা হয়েছে। নতুন কাঠামোতে তিন/চার দিনের ম্যাচে ৪০ হাজার টাকা, একদিনের ম্যাচে ৩০ হাজার টাকা এবং টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ২০ হাজার টাকা ম্যাচ ফি দেওয়া হবে।

এদিকে, এবারের বিপিএল আয়োজন না করার সিদ্ধান্তের পর ঘরোয়া ক্রিকেটে টি-টোয়েন্টির ঘাটতি পূরণে নতুন একটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করছে বিসিবি। জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) টি-টোয়েন্টির প্রচলিত বিভাগভিত্তিক কাঠামোর পরিবর্তে ফ্র্যাঞ্চাইজি ধাঁচে এই প্রতিযোগিতা আয়োজনের চিন্তা করা হচ্ছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন টুর্নামেন্টে ছয়টি করপোরেট দল অংশ নিতে পারে। করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী দলের নামও নির্ধারণ করতে পারবে।

তবে ম্যাচ ফি বাড়ানোর পাশাপাশি ক্রিকেটারদের ফিটনেস ও পেশাদারত্বের বিষয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি। ফিটনেস পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি জানিয়েছেন।

বিসিবির আয় ও আর্থিক সক্ষমতা আরও বাড়লে আগামী দুই বছর পর ম্যাচ ফি পুনরায় পর্যালোচনা করে আরও বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে বিপিএল না হওয়া সময়ে ঘরোয়া ক্রিকেটারদের আর্থিক নিরাপত্তা কিছুটা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের ঘরোয়া ক্রিকেট কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

জনপ্রিয়
নিষিদ্ধ আ.লীগের নৈরাজের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

নিষিদ্ধ আ.লীগের নৈরাজের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

বিপিএল ছাড়াই ক্রিকেটারদের জন্য সুখবর, বাড়ছে ম্যাচ ফি

বিপিএল না হলেও বাড়ছে ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি, নতুন টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের পরিকল্পনা

আপডেট সময় : ০৮:২১:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের আসর মাঠে না গড়ালেও ঘরোয়া ক্রিকেটারদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ম্যাচ ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। একই সঙ্গে বিপিএলের ঘাটতি পূরণে নতুন একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি ধাঁচের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করছে বোর্ড।

বৃহস্পতিবার ওয়ার্কিং কমিটির সভা শেষে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল ঘরোয়া ক্রিকেটের বিভিন্ন ফরম্যাটে ম্যাচ ফি বাড়ানোর ঘোষণা দেন।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আসন্ন চার দিনের প্রথম শ্রেণির ম্যাচে পুরুষ ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি ১ লাখ থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। এর আগে এই ফি ছিল ৭৫ হাজার টাকা। একদিনের ম্যাচের ম্যাচ ফি দ্বিগুণ করে ১ লাখ টাকা এবং টি-টোয়েন্টি ম্যাচের ফি বাড়িয়ে ৮০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিসিবির হিসাবে, এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রথম সারির একজন ঘরোয়া ক্রিকেটার বছরে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন।

নারী ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফিও বাড়ানো হয়েছে। তিন দিনের নারী ক্রিকেট টুর্নামেন্টকে চার দিনে রূপান্তর করা হয়েছে। নতুন কাঠামোতে তিন/চার দিনের ম্যাচে ৪০ হাজার টাকা, একদিনের ম্যাচে ৩০ হাজার টাকা এবং টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ২০ হাজার টাকা ম্যাচ ফি দেওয়া হবে।

এদিকে, এবারের বিপিএল আয়োজন না করার সিদ্ধান্তের পর ঘরোয়া ক্রিকেটে টি-টোয়েন্টির ঘাটতি পূরণে নতুন একটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করছে বিসিবি। জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) টি-টোয়েন্টির প্রচলিত বিভাগভিত্তিক কাঠামোর পরিবর্তে ফ্র্যাঞ্চাইজি ধাঁচে এই প্রতিযোগিতা আয়োজনের চিন্তা করা হচ্ছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন টুর্নামেন্টে ছয়টি করপোরেট দল অংশ নিতে পারে। করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী দলের নামও নির্ধারণ করতে পারবে।

তবে ম্যাচ ফি বাড়ানোর পাশাপাশি ক্রিকেটারদের ফিটনেস ও পেশাদারত্বের বিষয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি। ফিটনেস পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি জানিয়েছেন।

বিসিবির আয় ও আর্থিক সক্ষমতা আরও বাড়লে আগামী দুই বছর পর ম্যাচ ফি পুনরায় পর্যালোচনা করে আরও বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে বিপিএল না হওয়া সময়ে ঘরোয়া ক্রিকেটারদের আর্থিক নিরাপত্তা কিছুটা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের ঘরোয়া ক্রিকেট কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।