মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়েও বিএনপি মিথ্যাচার করতেছে- জামায়েত সেক্রেটারি গোলাম পরওয়ার

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়েও বিএনপি মিথ্যাচার করতেছে- জামায়েত সেক্রেটারি গোলাম পরওয়ার

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ক্ষুদ্রঋণ এবং ইমাম-খতিবদের ভাতা ও বেতন দেওয়ার ক্ষেত্রে বিএনপির বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও দলীয়করণের অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে এ অঞ্চলকে শূন্য করে ফেলা হবে। ঠাকুরগাঁওকে বাঁচাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীকে
বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।

শনিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের উদ্যোগে জামায়াতে ইসলামীর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে দুর্নীতি ও দলীয়করণ করা হয়েছে। দলের লোকজনকে সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে গোলাম পরওয়ার বলেন, বিএনপির দিন ফুরিয়ে আসছে। ঠাকুরগাঁও-১ আসনে দাঁড়িপাল্লার বিজয়ের মধ্য দিয়ে বিএনপিকে লাল কার্ড দেখাতে হবে। চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের রাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থান
নিয়ে আগামী ২৯ তারিখ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়েও বিএনপি জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে বলে অভিযোগ করেন গোলাম
পরওয়ার। এ সময় বিএনপির সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি
দলটির বিরুদ্ধে লুটপাটের অভিযোগ তোলেন।

বিজ্ঞাপন

নির্বাচনে কোনো ধরনের টালবাহানা বা কারচুপি করা হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি সহ জামায়াতের বিভিন্ন নেতা। তারা বলেন, ভোটে কারচুপি বা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চেষ্টা করা হলে নির্বাচন কমিশন
কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর ঘেরাও করা হবে। প্রয়োজনে এই আসনকে কেন্দ্র করে সরকার পতনের আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের পরিচালক মাওলানা আবদুল হালিম। এ ছাড়া বক্তব্য দেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা, ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েমসহ ১১ দলীয় ঐক্য জোটের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে জনসভাটি সঞ্চালনা করেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলমগীর। ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সদর, রুহিয়া ওভূল্লী এলাকার উদ্যোগে এ জনসভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

ট্যাগ
জনপ্রিয়
আমদানি-রপ্তানিসহ কাস্টমস ও বন্দরের কার্যক্রম শুরু, টানা ছুটি শেষে কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে বেনাপোল বন্দরে

আমদানি-রপ্তানিসহ কাস্টমস ও বন্দরের কার্যক্রম শুরু, টানা ছুটি শেষে কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে বেনাপোল বন্দরে

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়েও বিএনপি মিথ্যাচার করতেছে- জামায়েত সেক্রেটারি গোলাম পরওয়ার

আপডেট সময় : ০৭:২৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ক্ষুদ্রঋণ এবং ইমাম-খতিবদের ভাতা ও বেতন দেওয়ার ক্ষেত্রে বিএনপির বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও দলীয়করণের অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে এ অঞ্চলকে শূন্য করে ফেলা হবে। ঠাকুরগাঁওকে বাঁচাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীকে
বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।

শনিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের উদ্যোগে জামায়াতে ইসলামীর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে দুর্নীতি ও দলীয়করণ করা হয়েছে। দলের লোকজনকে সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে গোলাম পরওয়ার বলেন, বিএনপির দিন ফুরিয়ে আসছে। ঠাকুরগাঁও-১ আসনে দাঁড়িপাল্লার বিজয়ের মধ্য দিয়ে বিএনপিকে লাল কার্ড দেখাতে হবে। চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের রাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থান
নিয়ে আগামী ২৯ তারিখ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়েও বিএনপি জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে বলে অভিযোগ করেন গোলাম
পরওয়ার। এ সময় বিএনপির সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি
দলটির বিরুদ্ধে লুটপাটের অভিযোগ তোলেন।

বিজ্ঞাপন

নির্বাচনে কোনো ধরনের টালবাহানা বা কারচুপি করা হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি সহ জামায়াতের বিভিন্ন নেতা। তারা বলেন, ভোটে কারচুপি বা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চেষ্টা করা হলে নির্বাচন কমিশন
কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর ঘেরাও করা হবে। প্রয়োজনে এই আসনকে কেন্দ্র করে সরকার পতনের আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের পরিচালক মাওলানা আবদুল হালিম। এ ছাড়া বক্তব্য দেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা, ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েমসহ ১১ দলীয় ঐক্য জোটের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে জনসভাটি সঞ্চালনা করেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলমগীর। ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সদর, রুহিয়া ওভূল্লী এলাকার উদ্যোগে এ জনসভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।