আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশের সব পর্যায়ের সদস্যকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
বুধবার সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের বাংলাদেশ পুলিশ অডিটরিয়ামে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, নির্বাচন পরিচালনার সাংবিধানিক দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কমিশনের নির্দেশনা ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী নির্বাচনের সময় নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পুলিশ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, মিথ্যা তথ্য ও অপতথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টাও রয়েছে। এসব বিষয় মোকাবিলায় পুলিশকে সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
আইজিপি বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা এবং পুলিশের সব পর্যায়ের সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সমন্বয়ের মাধ্যমে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, দেশে ভালো নির্বাচনের সংস্কৃতি চালু করতে চায় নির্বাচন কমিশন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনও অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশ নির্বাচনী পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের যে ধারা তৈরি হয়েছে, তা অব্যাহত রাখতে হবে।
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক ও আইনি দায়িত্ব। একই সঙ্গে কমিশনকে সহযোগিতা করাও পুলিশের আইনি দায়িত্ব। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের ওপর মানুষের যে আস্থা তৈরি হয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও একই মান বজায় রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রাজনৈতিক) ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খোন্দকার রফিকুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।
এ সময় রেঞ্জ ডিআইজি, মহানগর পুলিশের কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার এবং বিভিন্ন পুলিশ ইউনিটের এসপি ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার নির্বাচনসংক্রান্ত রোডম্যাপ ও একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, আগামী ১৬ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ পুলিশের ১১৪টি ভেন্যুতে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ শুরু হবে। এতে প্রায় ৪০ হাজার পুলিশ সদস্য অংশ নেবেন।
পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে পুলিশকে কোনো বেআইনি নির্দেশ দেওয়া হবে না। অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিশ্রুতি রয়েছে।
তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও অন্তত একই মান বজায় রাখার লক্ষ্য রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।
স্থানীয় নির্বাচন ঘিরে পুলিশের বড় প্রস্তুতি, ৪০ হাজার সদস্য পাবেন প্রশিক্ষণ
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশের সব পর্যায়ের সদস্যকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
বুধবার সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের বাংলাদেশ পুলিশ অডিটরিয়ামে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, নির্বাচন পরিচালনার সাংবিধানিক দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কমিশনের নির্দেশনা ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী নির্বাচনের সময় নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পুলিশ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, মিথ্যা তথ্য ও অপতথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টাও রয়েছে। এসব বিষয় মোকাবিলায় পুলিশকে সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
আইজিপি বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা এবং পুলিশের সব পর্যায়ের সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সমন্বয়ের মাধ্যমে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, দেশে ভালো নির্বাচনের সংস্কৃতি চালু করতে চায় নির্বাচন কমিশন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনও অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশ নির্বাচনী পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের যে ধারা তৈরি হয়েছে, তা অব্যাহত রাখতে হবে।
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক ও আইনি দায়িত্ব। একই সঙ্গে কমিশনকে সহযোগিতা করাও পুলিশের আইনি দায়িত্ব। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের ওপর মানুষের যে আস্থা তৈরি হয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও একই মান বজায় রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রাজনৈতিক) ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খোন্দকার রফিকুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।
এ সময় রেঞ্জ ডিআইজি, মহানগর পুলিশের কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার এবং বিভিন্ন পুলিশ ইউনিটের এসপি ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার নির্বাচনসংক্রান্ত রোডম্যাপ ও একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, আগামী ১৬ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ পুলিশের ১১৪টি ভেন্যুতে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ শুরু হবে। এতে প্রায় ৪০ হাজার পুলিশ সদস্য অংশ নেবেন।
পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে পুলিশকে কোনো বেআইনি নির্দেশ দেওয়া হবে না। অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিশ্রুতি রয়েছে।
তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও অন্তত একই মান বজায় রাখার লক্ষ্য রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।


























