কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, মার্কিন ড্রোন ভূপাতিতের দাবি ইরানের।

কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, মার্কিন ড্রোন ভূপাতিতের দাবি ইরানের।

হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম। একই সঙ্গে একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে তেহরান।

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত দ্বীপটিতে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম।

তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী দ্বীপটিতে দুই দফায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। তবে হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিংবা কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনা জানিয়েছে, কেশম দ্বীপের সুজা এলাকায় দুটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পেয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, আকাশ থেকে দুটি বস্তু ওই এলাকায় আছড়ে পড়তে দেখা গেছে। বিস্ফোরণের আগে আকাশে যুদ্ধবিমানের শব্দও শুনতে পান স্থানীয়রা।

এ ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি দাবি করে, কেশম দ্বীপের আকাশে একটি মার্কিন এমকিউ-৯ (MQ-9) ড্রোন ভূপাতিত করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী।

বিজ্ঞাপন

এর আগে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) একই দ্বীপের আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ-১ (MQ-1) মডেলের ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছিল ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

এদিকে সামরিক উত্তেজনার মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি আলোচনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবরকে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে উল্লেখ করেছে কাতার।

শনিবার কাতারের আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, দেশটির প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এখনো যুদ্ধবিরতি বা একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ওয়াশিংটন ও তেহরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখে দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে কাতার।

জনপ্রিয়
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে এক যুবক ভারতে প্রবেশ করলে  বিএসএফের গুলিবর্ষণ : বিজিবি পাল্টা গুলি বর্ষণ 

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে এক যুবক ভারতে প্রবেশ করলে  বিএসএফের গুলিবর্ষণ : বিজিবি পাল্টা গুলি বর্ষণ 

কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, মার্কিন ড্রোন ভূপাতিতের দাবি ইরানের।

আপডেট সময় : ১১:১৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম। একই সঙ্গে একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে তেহরান।

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত দ্বীপটিতে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম।

তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী দ্বীপটিতে দুই দফায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। তবে হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিংবা কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনা জানিয়েছে, কেশম দ্বীপের সুজা এলাকায় দুটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পেয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, আকাশ থেকে দুটি বস্তু ওই এলাকায় আছড়ে পড়তে দেখা গেছে। বিস্ফোরণের আগে আকাশে যুদ্ধবিমানের শব্দও শুনতে পান স্থানীয়রা।

এ ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি দাবি করে, কেশম দ্বীপের আকাশে একটি মার্কিন এমকিউ-৯ (MQ-9) ড্রোন ভূপাতিত করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী।

বিজ্ঞাপন

এর আগে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) একই দ্বীপের আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ-১ (MQ-1) মডেলের ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছিল ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

এদিকে সামরিক উত্তেজনার মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি আলোচনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবরকে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে উল্লেখ করেছে কাতার।

শনিবার কাতারের আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, দেশটির প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এখনো যুদ্ধবিরতি বা একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ওয়াশিংটন ও তেহরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখে দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে কাতার।