অ্যাপলের পরবর্তী ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন iPhone 18 Pro Max নিয়ে প্রযুক্তিপ্রেমীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। উন্নত প্রসেসর, বড় ডিসপ্লে ও ক্যামেরা সিস্টেমসহ বিভিন্ন নতুন ফিচার নিয়ে ফোনটি বাজারে আসতে পারে বলে প্রযুক্তি অঙ্গনে আলোচনা চলছে।
সম্ভাব্য দাম লাখ টাকার ওপরে হওয়ায় একবারে পুরো অর্থ পরিশোধ করে ফোনটি কেনা অনেকের জন্য কঠিন হতে পারে। তাই আগ্রহী ক্রেতাদের মধ্যে কিস্তিতে iPhone 18 Pro Max কেনার বিষয়েও আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।
তবে ফোনটি কেনার আগে সম্ভাব্য দাম, স্টোরেজভেদে মূল্য এবং কিস্তির সুযোগ সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন।
iPhone 18 Pro Max-এর সম্ভাব্য দাম
বাজারসংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, শুরুতে iPhone 18 Pro Max-এর ৫১২ জিবি ও ১ টেরাবাইট সংস্করণ বাজারে আসতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে এসব সংস্করণের দাম প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
এর কিছুদিন পর ২৫৬ জিবি সংস্করণ বাজারে আসতে পারে। এটির সম্ভাব্য দাম ১ লাখ ৭০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকার মধ্যে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে বাজারে সরবরাহ ও চাহিদার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সময়ে দাম কমতে পারে। সে ক্ষেত্রে ৫১২ জিবি ও ১ টেরাবাইট সংস্করণের দাম ১ লাখ ৭০ হাজার থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার মধ্যে নেমে আসতে পারে বলে বাজারসংশ্লিষ্টদের ধারণা।
কোন ব্যাংকের কার্ডে কিস্তির সুযোগ থাকতে পারে
কিস্তিতে ফোন কেনার ক্ষেত্রে সাধারণত নির্দিষ্ট ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড প্রয়োজন হয়। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক (ইবিএল) এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডে শূন্য শতাংশ সুদে কিস্তির সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকতে পারে।
কিস্তির মেয়াদ ৩ মাস থেকে সর্বোচ্চ ২৪ মাস পর্যন্ত হতে পারে। তবে কিস্তির সুবিধা, মেয়াদ ও শর্ত বিক্রেতা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের নীতিমালার ওপর নির্ভর করবে।
ক্রেডিট কার্ড না থাকলে এসব কার্ডভিত্তিক কিস্তি সুবিধা নেওয়া সম্ভব হবে না।
মাসিক কিস্তি কত হতে পারে
ধরা যাক, ৫১২ জিবি সংস্করণের সম্ভাব্য দাম ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সে ক্ষেত্রে কোনো অতিরিক্ত চার্জ ছাড়া ১২ মাসে কিস্তি করলে প্রতি মাসে প্রায় ২০ হাজার ৮৩৩ টাকা এবং ২৪ মাসে প্রায় ১০ হাজার ৪১৭ টাকা পরিশোধ করতে হবে।
অন্যদিকে, ২৫৬ জিবি সংস্করণের দাম যদি ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা হয়, তাহলে ১২ মাসে প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা এবং ২৪ মাসে ৭ হাজার ৫০০ টাকা করে পরিশোধ করতে হতে পারে।
তবে ব্যাংক বা বিক্রেতার প্রক্রিয়াকরণ ফি, সার্ভিস চার্জ কিংবা অন্যান্য খরচ থাকলে প্রকৃত কিস্তির পরিমাণ কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।
কোথায় কিস্তিতে বুকিং করা যাবে
iPhone 18 Pro Max বাজারে আসার পর অনুমোদিত বিক্রেতা বা যাচাইকৃত মার্কেটপ্লেস থেকে ফোন কেনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তিপণ্য বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান SMS Gadget জানিয়েছে, বাংলাদেশে ফোনটি বাজারে আসার পর কিস্তিতে কেনার সুযোগ এবং প্রি-অর্ডারের সুবিধা পাওয়া যেতে পারে।
তবে ফোনের চূড়ান্ত দাম, কিস্তির শর্ত, ব্যাংকের তালিকা ও প্রি-অর্ডারের সময়সীমা বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে পণ্যটি আসার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
কিস্তিতে কেনার পরিকল্পনা থাকলে আগেই সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের সীমা, কিস্তির মেয়াদ এবং সম্ভাব্য অতিরিক্ত চার্জ সম্পর্কে জেনে নেওয়া ভালো। এতে ফোন বুকিংয়ের সময় অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা এড়ানো সম্ভব হবে।





















