ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ঘিরে গাইবান্ধায় পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি: মাছের পোনা অবমুক্ত ও বৃক্ষরোপণ করলেন প্রতিমন্ত্রী

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ঘিরে গাইবান্ধায় পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি: মাছের পোনা অবমুক্ত ও বৃক্ষরোপণ করলেন প্রতিমন্ত্রী

সরকার শাহাদত হোসেন, গাইবান্ধা থেকে

ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে গাইবান্ধায় উৎসবমুখর পরিবেশে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। দিবসটি উদযাপনে পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলজ সম্পদ বৃদ্ধির বার্তা নিয়ে ব্যতিক্রমী এ কর্মসূচির আয়োজন করে গাইবান্ধা জেলা পরিষদ।

গতকাল শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে জেলা পরিষদ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং পরিষদ চত্বরে গাছের চারা রোপণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন (এমপি)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলো (এমপি)।

জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি জেলা পরিষদের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। পরে তাঁরা জেলা পরিষদ চত্বরে গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন সংসদ সদস্য মমতাজ আলো।

কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন। তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস। এটি বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূতিকাগার। অতীতে গণতন্ত্রবিরোধীরা এ দিনটি যথাযথভাবে পালন করতে দেয়নি। তবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ২০২৬ সালে দিবসটি আবারও অত্যন্ত সুন্দর ও বর্ণিলভাবে উদযাপিত হচ্ছে।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা পরিষদের এ আয়োজন স্থানীয় পর্যায়ে পরিবেশ সচেতনতা ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের গুরুত্বকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

ট্যাগ
জনপ্রিয়
হাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

হাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ঘিরে গাইবান্ধায় পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি: মাছের পোনা অবমুক্ত ও বৃক্ষরোপণ করলেন প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

সরকার শাহাদত হোসেন, গাইবান্ধা থেকে

ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে গাইবান্ধায় উৎসবমুখর পরিবেশে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। দিবসটি উদযাপনে পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলজ সম্পদ বৃদ্ধির বার্তা নিয়ে ব্যতিক্রমী এ কর্মসূচির আয়োজন করে গাইবান্ধা জেলা পরিষদ।

গতকাল শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে জেলা পরিষদ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং পরিষদ চত্বরে গাছের চারা রোপণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন (এমপি)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলো (এমপি)।

জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি জেলা পরিষদের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। পরে তাঁরা জেলা পরিষদ চত্বরে গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন সংসদ সদস্য মমতাজ আলো।

কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন। তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস। এটি বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূতিকাগার। অতীতে গণতন্ত্রবিরোধীরা এ দিনটি যথাযথভাবে পালন করতে দেয়নি। তবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ২০২৬ সালে দিবসটি আবারও অত্যন্ত সুন্দর ও বর্ণিলভাবে উদযাপিত হচ্ছে।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা পরিষদের এ আয়োজন স্থানীয় পর্যায়ে পরিবেশ সচেতনতা ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের গুরুত্বকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।