বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধার প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওয়ে বিক্ষোভ

বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধার প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওয়ে বিক্ষোভ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ​একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলার বাদী ও গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মৃত্যুর পর তাঁর রাষ্ট্রীয়
মর্যাদা, জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ঠাকুরগাঁও জেলা কমান্ডের আহ্বানে জেলা শহরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

বিজ্ঞাপন

​মিছিল শেষে ঠাকুরগাঁও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক নুর করিমের সভাপতিত্বে একটি পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্দ সাহসী ও জোরালো বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বীর মুক্তিযোদ্ধার
মরদেহের প্রতি এমন অবমাননা ও দাফনে বাধার তীব্র নিন্দা জানান এবং অবিলম্বে এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

​এ ছাড়াও পথসভায় জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্দও তীব্র হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বক্তব্যে বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননা ও তাঁদের অর্জিত স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কোনো অপশক্তিকে ছাড় দেওয়া হবে না।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে বাদী ও গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ছিলেন। সে কারণে পিরোজপুর জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন নেতাকর্মী তাঁর মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং তাঁকে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ বলে দাবি করেন। মূলত এই রাজনৈতিক বিরোধ এবং তাঁর মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেই তাঁর জানাজা,
রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও দাফনে বাধা দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

ট্যাগ
জনপ্রিয়
মা ও পোনা মাছ রক্ষায় কেন্দুয়ায় ৪ লাখ টাকার নিষিদ্ধ ‘চায়না দুয়ারি’ জাল পুড়িয়েছে প্রশাসন 

মা ও পোনা মাছ রক্ষায় কেন্দুয়ায় ৪ লাখ টাকার নিষিদ্ধ ‘চায়না দুয়ারি’ জাল পুড়িয়েছে প্রশাসন 

বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধার প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওয়ে বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৬:৪১:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ​একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলার বাদী ও গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মৃত্যুর পর তাঁর রাষ্ট্রীয়
মর্যাদা, জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ঠাকুরগাঁও জেলা কমান্ডের আহ্বানে জেলা শহরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

বিজ্ঞাপন

​মিছিল শেষে ঠাকুরগাঁও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক নুর করিমের সভাপতিত্বে একটি পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্দ সাহসী ও জোরালো বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বীর মুক্তিযোদ্ধার
মরদেহের প্রতি এমন অবমাননা ও দাফনে বাধার তীব্র নিন্দা জানান এবং অবিলম্বে এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

​এ ছাড়াও পথসভায় জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্দও তীব্র হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বক্তব্যে বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননা ও তাঁদের অর্জিত স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কোনো অপশক্তিকে ছাড় দেওয়া হবে না।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে বাদী ও গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ছিলেন। সে কারণে পিরোজপুর জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন নেতাকর্মী তাঁর মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং তাঁকে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ বলে দাবি করেন। মূলত এই রাজনৈতিক বিরোধ এবং তাঁর মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেই তাঁর জানাজা,
রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও দাফনে বাধা দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।