বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৪টা ১৬ মিনিটে কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন থেকে ঢাকার উদ্দেশে ট্রেনটির ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যাত্রা শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ায় থমকে যায় ট্রেনের যাত্রা। সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত ট্রেনটি স্টেশন ছাড়তে পারেনি। এতে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ, উদ্বেগ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, ইঞ্জিনের ত্রুটি নিরসনে আখাউড়া থেকে একটি রিলিফ ইঞ্জিন আনা হচ্ছে। সেটি পৌঁছানোর পর ট্রেনটি চালুর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে বিকল্প ইঞ্জিন কখন পৌঁছাবে এবং ট্রেনটি কখন গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য না পাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন অপেক্ষমাণ যাত্রীরা।
কিশোরগঞ্জ থেকে ভৈরবগামী যাত্রী নজরুল ইসলাম বলেন, “প্রায় ৩ ঘণ্টা ধরে স্টেশনে বসে আছি। ট্রেন কখন ছাড়বে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাচ্ছি না। প্রথমে ভেবেছিলাম, কিছুক্ষণের মধ্যেই সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হয়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ভৈরব যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
আরেক যাত্রী শিহাব বলেন, “আমার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। কিশোরগঞ্জ থেকে ভৈরব যাওয়ার জন্য স্টেশনে এসে ট্রেনের অপেক্ষা করছিলাম। কিন্তু ট্রেনের সমস্যার কারণে প্রায় ৩ ঘণ্টা ধরে আটকে আছি। কখন ট্রেন ছাড়বে, কখন ভৈরব পৌঁছাব, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় আছি। দ্রুত সমস্যার সমাধান হলে আমাদের মতো অপেক্ষমাণ যাত্রীদের দুর্ভোগ কমত।”
কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশনমাস্টার খলিলুর রহমান বলেন, “ট্রেনটি আজ নির্ধারিত সময়েই স্টেশনে পৌঁছেছে। বিকেল ৪টা ১৬ মিনিটে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও যাত্রা শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। সমস্যা সমাধানে আখাউড়া থেকে একটি রিলিফ ইঞ্জিন আনা হচ্ছে। সেটি পৌঁছানোর পর দ্রুত ট্রেনটি ছেড়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।”
তিনি আরও জানান, ট্রেনের যাত্রা বিলম্বিত হওয়ায় অনেক যাত্রী বিকল্প পরিবহনে গন্তব্যে চলে যাচ্ছেন। কাউন্টার থেকে টিকিট কাটা যাত্রীরা কাউন্টারে গিয়ে টিকিটের টাকা ফেরত নিতে পারবেন। অন্যদিকে, অনলাইনে টিকিট কাটা যাত্রীদের অনলাইনে রিফান্ডের আবেদন করতে হবে।




















