চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল অভিযোগ করে বলেন, এবার সার ডিলার নিয়োগে বিগত সময়ের অনিয়মের সকল রেকর্ড ভেঙেছে। এর আগে যারা সার ডিলার ছিলেন তারা তৎকালীন সরকারের কোন বড় পদধারী ছিলেন না। অথচ এমন দলীয় করণ করা হবে বলেই তড়িঘড়ি করে নীতিমালা পরিবর্তন করা হয়েছে। যাতে করে জনপ্রতিনিধিদের বাইরে রেখেই প্রশাসনের কর্মকর্তারা ইচ্ছামতো দলীয়করণ বা সরকারিকরণের অসুদপায়ের উপায় অবলম্বন করতে পারেন।
এরপর চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমীন বলেন, এবার যারা সার ডিলার নিয়োগ পেয়েছেন তারা কেউই ব্যবসায়ী নন। নথিপত্র খুঁজলে দেখা যাবে এবারই নতুন করে ট্রেড লাইসেন্স ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলেছেন। কেউ কেউ তো রাজনৈতিক দলের নেতার স্ত্রী ও ছেলে। গোটা জেলায় এভাবেই সার ডিলার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এ দলীয়করণে নিয়োগ কমিটির প্রধান জেলা প্রশাসক যেমন দায়ী রাজনৈতিক দলের নেতারাও দায়ী। এখানে জেলা প্রশাসক দলীয় দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য এমন কাজ করেছেন।
সংবাদ সম্মেলন উপস্থিত ছিলেন, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাও. আজিজুর রহমান, জেলা প্রশিক্ষণ সম্পাদক জিয়াউল হক, জীবননগর উপজেলা সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা পৌর আমীর হাসিবুল ইসলাম ও সেক্রেটারী মোস্তফা কামাল।





















