ভোরের শিশিরে জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা

ভোরের শিশিরে জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা
মেলান্দহ (জামালপুর) প্রতিনিধি:
বাংলার ঋতুচক্রে হেমন্তের আগমন। ভোরের আলো ফুটতেই ঘাসের ডগায় মুক্তোর মতো ঝলমল করে শিশিরবিন্দু। শিশির ভেজা ঘাস, ধানের পাতায় জমে থাকা জলকণা আর সকালের স্নিগ্ধ বাতাস জানান দেয় প্রকৃতির পালাবদলের কথা। দিনের আলো বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের উষ্ণতা ফিরে এলেও ভোরের পরিবেশে অনুভূত হচ্ছে ঋতু পরিবর্তনের ছোঁয়া। প্রকৃতির এমন রূপেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে শীতের আগমনী বার্তা।
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে ভোর থেকেই কুয়াশার আবরণ ও দুর্বাঘাসের মাথায় মুক্তোর মতো শিশির বিন্দু দেখা যায়। হালকা কুয়াশায় দূরের গাছপালা ও পথঘাট আবছা হয়ে আছে। গ্রামীণ জনপদে প্রকৃতির এই পরিবর্তন যেন নতুন আবহ তৈরি করছে। হাঁটতে বের হওয়া মানুষ ও ভোরে কাজে বের হওয়া কৃষকেরা অনুভব করছেন কুয়াশা-মাখানো মনোরম পরিবেশ। সকাল ও রাতের পরিবেশে শীতলতার আভাস মিললেও দিনের বেলায় এখনো রয়েছে রোদের তীব্রতা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাত ও ভোরের তাপমাত্রায় আগের তুলনায় কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। সকালে ঘাসে শিশির পড়ছে এবং বাতাসেও ঠান্ডা ভাব রয়েছে। শীত পুরোপুরি না এলেও প্রকৃতিতে তার আগমনী বার্তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
ফুলকোচা ইউনিয়নের কোনামালঞ্চ গ্রামের কৃষক লিয়াকত আলী বলেন, দিনে গরম থাকলেও রাতের শেষভাগে কয়েকদিন থেকে শীত অনুভূভ হচ্ছে। গায়ে কাঁথা জড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। ভোর সকালে বের হলেই দেখা যায় চারদিক কুয়াশায় ঘেরা।
শিক্ষার্থী আশামনি বলেন, ভোরে ঘুম থেকে উঠেই অন্যরকম এক পরিবেশ দেখা যায়। প্রকৃতির হিমেল হাওয়ায় মুগ্ধ হয়ে ওঠে মন। মনে হচ্ছে, শীত চলে এসেছে।
বিজ্ঞাপন
জনপ্রিয়
তাফসির মাহফিলে বাধা কেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে ব্যাখ্যা চাইলেন এমপি আমির হামজা

তাফসির মাহফিলে বাধা কেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে ব্যাখ্যা চাইলেন এমপি আমির হামজা

ভোরের শিশিরে জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা

আপডেট সময় : ১০:৩৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
মেলান্দহ (জামালপুর) প্রতিনিধি:
বাংলার ঋতুচক্রে হেমন্তের আগমন। ভোরের আলো ফুটতেই ঘাসের ডগায় মুক্তোর মতো ঝলমল করে শিশিরবিন্দু। শিশির ভেজা ঘাস, ধানের পাতায় জমে থাকা জলকণা আর সকালের স্নিগ্ধ বাতাস জানান দেয় প্রকৃতির পালাবদলের কথা। দিনের আলো বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের উষ্ণতা ফিরে এলেও ভোরের পরিবেশে অনুভূত হচ্ছে ঋতু পরিবর্তনের ছোঁয়া। প্রকৃতির এমন রূপেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে শীতের আগমনী বার্তা।
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে ভোর থেকেই কুয়াশার আবরণ ও দুর্বাঘাসের মাথায় মুক্তোর মতো শিশির বিন্দু দেখা যায়। হালকা কুয়াশায় দূরের গাছপালা ও পথঘাট আবছা হয়ে আছে। গ্রামীণ জনপদে প্রকৃতির এই পরিবর্তন যেন নতুন আবহ তৈরি করছে। হাঁটতে বের হওয়া মানুষ ও ভোরে কাজে বের হওয়া কৃষকেরা অনুভব করছেন কুয়াশা-মাখানো মনোরম পরিবেশ। সকাল ও রাতের পরিবেশে শীতলতার আভাস মিললেও দিনের বেলায় এখনো রয়েছে রোদের তীব্রতা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাত ও ভোরের তাপমাত্রায় আগের তুলনায় কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। সকালে ঘাসে শিশির পড়ছে এবং বাতাসেও ঠান্ডা ভাব রয়েছে। শীত পুরোপুরি না এলেও প্রকৃতিতে তার আগমনী বার্তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
ফুলকোচা ইউনিয়নের কোনামালঞ্চ গ্রামের কৃষক লিয়াকত আলী বলেন, দিনে গরম থাকলেও রাতের শেষভাগে কয়েকদিন থেকে শীত অনুভূভ হচ্ছে। গায়ে কাঁথা জড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। ভোর সকালে বের হলেই দেখা যায় চারদিক কুয়াশায় ঘেরা।
শিক্ষার্থী আশামনি বলেন, ভোরে ঘুম থেকে উঠেই অন্যরকম এক পরিবেশ দেখা যায়। প্রকৃতির হিমেল হাওয়ায় মুগ্ধ হয়ে ওঠে মন। মনে হচ্ছে, শীত চলে এসেছে।
বিজ্ঞাপন