নওগাঁয় সিনিয়র নার্সের মৃত্যু, স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ

নওগাঁয় সিনিয়র নার্সের মৃত্যু, স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ

নওগাঁ প্রতিনিধি: নরুন নবী

নওগাঁ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র নার্স নাসরিন খাতুন (৩০)-এর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ তুলেছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।

সহকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী,নাসরিন খাতুন গত রাতেও হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করেছেন। ডিউটি শেষে বাসায় ফেরার সময় তিনি সুস্থ ছিলেন বলে জানান তাঁরা। তবে সকালে তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে সহকর্মীদের মধ্যে শোক ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়।

নাসরিন খাতুন তাঁর স্বামী ও সাত বছর বয়সী সন্তানকে নিয়ে হাসপাতালসংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। প্রাথমিকভাবে তাঁর স্বামী আব্দুল মালেক মৃত্যুর ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে প্রচার করেন বলে সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে। তবে তাঁর বক্তব্য ও আচরণ নিয়ে সহকর্মীদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়। একপর্যায়ে তিনি সেখান থেকে চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পরে নাসরিনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, মরদেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ কারণে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

পারিবারিক বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতের স্বামীর বিরুদ্ধে পরকীয়ায় জড়িত থাকার অভিযোগ এবং এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো বলেও জানা গেছে। ঘটনার আগের রাতেও তাঁদের মধ্যে বিরোধ হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তসাপেক্ষ।

এ ঘটনায় নাসরিন খাতুনের পরিবারের পক্ষ থেকে নওগাঁ সদর মডেল থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ট্যাগ
জনপ্রিয়
বগুড়ায় চুরি-ছিনতাইয়ের অভিযোগ বাড়ছে, রাতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

বগুড়ায় চুরি-ছিনতাইয়ের অভিযোগ বাড়ছে, রাতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

নওগাঁয় সিনিয়র নার্সের মৃত্যু, স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:০১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

নওগাঁ প্রতিনিধি: নরুন নবী

নওগাঁ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র নার্স নাসরিন খাতুন (৩০)-এর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ তুলেছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।

সহকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী,নাসরিন খাতুন গত রাতেও হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করেছেন। ডিউটি শেষে বাসায় ফেরার সময় তিনি সুস্থ ছিলেন বলে জানান তাঁরা। তবে সকালে তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে সহকর্মীদের মধ্যে শোক ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়।

নাসরিন খাতুন তাঁর স্বামী ও সাত বছর বয়সী সন্তানকে নিয়ে হাসপাতালসংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। প্রাথমিকভাবে তাঁর স্বামী আব্দুল মালেক মৃত্যুর ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে প্রচার করেন বলে সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে। তবে তাঁর বক্তব্য ও আচরণ নিয়ে সহকর্মীদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়। একপর্যায়ে তিনি সেখান থেকে চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পরে নাসরিনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, মরদেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ কারণে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

পারিবারিক বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতের স্বামীর বিরুদ্ধে পরকীয়ায় জড়িত থাকার অভিযোগ এবং এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো বলেও জানা গেছে। ঘটনার আগের রাতেও তাঁদের মধ্যে বিরোধ হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তসাপেক্ষ।

এ ঘটনায় নাসরিন খাতুনের পরিবারের পক্ষ থেকে নওগাঁ সদর মডেল থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।