মায়ের সঙ্গে অভিমান করে প্রাণ গেল অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীর

মায়ের সঙ্গে অভিমান করে প্রাণ গেল অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীর

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর সেনবাগে আফরিয়া সুলতানা প্রীয়া (১৪) নামে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এর আগে শুক্রবার রাত সোয়া ৮টার দিকে উপজেলার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শায়েস্তানগর গ্রামের হাজী এমরাত আলী মিয়া বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

নিহত প্রীয়া ওই বাড়ির মো. আবুল কাশেম ড্রাইভারের মেয়ে। সে স্থানীয় শিবপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে প্রীয়ার মা বিলকিস আক্তার ছোট ছেলেকে নিয়ে স্থানীয় ছমির মুন্সির হাট বাজারে যান। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাড়িতে ফিরে তিনি বসতঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান। পরে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে মই দিয়ে ঘরের ভেতরে উঁকি দেন। এ সময় মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তিনি। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশকে খবর দেন। পারিবারিক কলহের জেরে মায়ের ওপর অভিমান করে প্রীয়া আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হযরত আলী মিলন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

ট্যাগ
জনপ্রিয়
রোজিনা প্রতিবন্ধী হয়েও উচ্চ শিক্ষিত

রোজিনা প্রতিবন্ধী হয়েও উচ্চ শিক্ষিত

মায়ের সঙ্গে অভিমান করে প্রাণ গেল অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীর

আপডেট সময় : ১০:৪৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর সেনবাগে আফরিয়া সুলতানা প্রীয়া (১৪) নামে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এর আগে শুক্রবার রাত সোয়া ৮টার দিকে উপজেলার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শায়েস্তানগর গ্রামের হাজী এমরাত আলী মিয়া বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

নিহত প্রীয়া ওই বাড়ির মো. আবুল কাশেম ড্রাইভারের মেয়ে। সে স্থানীয় শিবপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে প্রীয়ার মা বিলকিস আক্তার ছোট ছেলেকে নিয়ে স্থানীয় ছমির মুন্সির হাট বাজারে যান। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাড়িতে ফিরে তিনি বসতঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান। পরে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে মই দিয়ে ঘরের ভেতরে উঁকি দেন। এ সময় মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তিনি। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশকে খবর দেন। পারিবারিক কলহের জেরে মায়ের ওপর অভিমান করে প্রীয়া আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হযরত আলী মিলন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।