রোজিনা প্রতিবন্ধী হয়েও উচ্চ শিক্ষিত

রোজিনা প্রতিবন্ধী হয়েও উচ্চ শিক্ষিত

মো: গোলাম কিবরিয়া,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:

মোছাম্মদ রোজিনা খাতুন । রাজশাহীর সাহেব বাজার এলাকায় হুইল চেয়ারে বসা । একটা ওজন মাপার স্কেল সামনে আছে । একটা কাগজে লিখা আছে ৫ টাকার বিনিময়ে , আপনার ওজন মাপুন । সামনে এগিয়ে গিয়ে কথা হলো , রোজীনার সাথে ।ছোট্ট বেলা থেকেই অসুস্থ হয়ে চিকিৎসার অভাবে পা দুই টা , পংগু হয়ে যায় । কিন্ত শত বাধার পরও লিখা পড়ার প্রতি ছিল তার, অত্যন্ত আগ্রহ। অভাব , অনটনকে জয় করে , স্কুলের শিক্ষক, পাড়া, প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় , কোনরকম ভাবে লেখা ,পড়া করে , একটা চাকরির আশায় , আশায় থেকে , দিনের পর, দিন কেটে গেলেও আজ পর্যন্ত প্রতিবন্ধী রোজিনার ভাগ্যে , একটা বেসরকারী চাকরী ও জুটে নি ।

বিজ্ঞাপন

প্রতিদিন সকাল থেকেই বাজার এলাকায় হুইল চেয়ার এ আসে , রোজিনা । ৫ টাকার বিনিময়ে , মানুষের ওজন মাপে , বিনিময়ে ৫ টা টাকা দেয় রোজিনাকে ।কেউ, কেউ খুশি হয়ে দশ টাকাও দেয় । একজন লোক কিছু খাবার কিনে দিতে দেখা যায় । এভাবেই কেটে যায় , দিন রাত। কিন্ত কেউ আজ পর্যন্ত বড় ধরনের সহযোগিতা করে নাই। বাজার এ সারাদিন বসে থাকতে হয় নিরুপায় হয়ে । রাজশাহী সরকারী কলেজ থেকে সমাজ কল্যাণ বিভাগ থেকে অনার্স সহ মাষ্টার ডিগ্রি অর্জন করেন , এই প্রতিবন্ধী রোজীনা । সমাজের বিত্তবানদের একটু সহযোগিতা পেলে হয়তো , এই প্রতিবন্ধী রোজিনার মুখে একটু হাসি ফোটানো , সম্ভব।

ট্যাগ
জনপ্রিয়
রোজিনা প্রতিবন্ধী হয়েও উচ্চ শিক্ষিত

রোজিনা প্রতিবন্ধী হয়েও উচ্চ শিক্ষিত

রোজিনা প্রতিবন্ধী হয়েও উচ্চ শিক্ষিত

আপডেট সময় : ১২:৪৮:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

মো: গোলাম কিবরিয়া,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:

মোছাম্মদ রোজিনা খাতুন । রাজশাহীর সাহেব বাজার এলাকায় হুইল চেয়ারে বসা । একটা ওজন মাপার স্কেল সামনে আছে । একটা কাগজে লিখা আছে ৫ টাকার বিনিময়ে , আপনার ওজন মাপুন । সামনে এগিয়ে গিয়ে কথা হলো , রোজীনার সাথে ।ছোট্ট বেলা থেকেই অসুস্থ হয়ে চিকিৎসার অভাবে পা দুই টা , পংগু হয়ে যায় । কিন্ত শত বাধার পরও লিখা পড়ার প্রতি ছিল তার, অত্যন্ত আগ্রহ। অভাব , অনটনকে জয় করে , স্কুলের শিক্ষক, পাড়া, প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় , কোনরকম ভাবে লেখা ,পড়া করে , একটা চাকরির আশায় , আশায় থেকে , দিনের পর, দিন কেটে গেলেও আজ পর্যন্ত প্রতিবন্ধী রোজিনার ভাগ্যে , একটা বেসরকারী চাকরী ও জুটে নি ।

বিজ্ঞাপন

প্রতিদিন সকাল থেকেই বাজার এলাকায় হুইল চেয়ার এ আসে , রোজিনা । ৫ টাকার বিনিময়ে , মানুষের ওজন মাপে , বিনিময়ে ৫ টা টাকা দেয় রোজিনাকে ।কেউ, কেউ খুশি হয়ে দশ টাকাও দেয় । একজন লোক কিছু খাবার কিনে দিতে দেখা যায় । এভাবেই কেটে যায় , দিন রাত। কিন্ত কেউ আজ পর্যন্ত বড় ধরনের সহযোগিতা করে নাই। বাজার এ সারাদিন বসে থাকতে হয় নিরুপায় হয়ে । রাজশাহী সরকারী কলেজ থেকে সমাজ কল্যাণ বিভাগ থেকে অনার্স সহ মাষ্টার ডিগ্রি অর্জন করেন , এই প্রতিবন্ধী রোজীনা । সমাজের বিত্তবানদের একটু সহযোগিতা পেলে হয়তো , এই প্রতিবন্ধী রোজিনার মুখে একটু হাসি ফোটানো , সম্ভব।