নাগেশ্বরী উপজেলার কবিরাজ শফিকুলের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন

নাগেশ্বরী উপজেলার কবিরাজ শফিকুলের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের মৃত হুজুর আলীর পুত্র শফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন যাবৎ গ্রামের মানুষের কবিরাজি চিকিৎসা করে আসছেন।
এতে করে অনেক লোক বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করে সুস্থ হয়ে শফিকুলের জন্য দোয়া করেন।
কিন্তু গত ২ দিন যাবৎ একটি স্বার্থান্বেষী মহল সাংবাদিককে উসকিয়ে-ফুসলিয়ে ফেসবুকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে শফিকুলের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছেন।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে কান্দুরের হাট জমসেদ আলীর পুত্র আতাউল ইসলাম বলেন, আমার প্যারালাইসিস হয়েছিল, চিকিৎসাসেবা নিয়ে সুস্থ হয়েছি।
দোয়ালী পাড়ার শাহালম, কালীগঞ্জ ইউনিয়নের ঝাকুয়াবাড়ি গ্রামের মৃত পেলু মামুদের পুত্র বক্কর বলেন, বিভিন্ন ডাক্তারের ওষুধ খেয়ে হাজার হাজার টাকা নষ্ট করে আমার অসুখ ভালো হয়নি, শফিকুল ভাইয়ের কাছে হাঁপানি রোগের চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছে।
কোঁচপাড়া মৃত আক্কাছ আলীর পুত্র আনচার আলী ও সরকার পাড়ার হাকিমের মেয়ে হাসিনা বলেন, এই কবিরাজের কাছে ব্যথার ওষুধ নিয়ে সুস্থ আছি, এখন নামাজও পড়তে পারি।

সচেতন মহলের প্রশ্ন, কোনো রোগী যদি বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা করে সুস্থ না হলেও শফিকুলের কাছে এসে সুস্থ হয়, এতে অসুবিধা কী?

ট্যাগ
জনপ্রিয়
মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ অবহিতকরণ সভা 

মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ অবহিতকরণ সভা 

নাগেশ্বরী উপজেলার কবিরাজ শফিকুলের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন

আপডেট সময় : ১০:৪৩:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের মৃত হুজুর আলীর পুত্র শফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন যাবৎ গ্রামের মানুষের কবিরাজি চিকিৎসা করে আসছেন।
এতে করে অনেক লোক বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করে সুস্থ হয়ে শফিকুলের জন্য দোয়া করেন।
কিন্তু গত ২ দিন যাবৎ একটি স্বার্থান্বেষী মহল সাংবাদিককে উসকিয়ে-ফুসলিয়ে ফেসবুকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে শফিকুলের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছেন।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে কান্দুরের হাট জমসেদ আলীর পুত্র আতাউল ইসলাম বলেন, আমার প্যারালাইসিস হয়েছিল, চিকিৎসাসেবা নিয়ে সুস্থ হয়েছি।
দোয়ালী পাড়ার শাহালম, কালীগঞ্জ ইউনিয়নের ঝাকুয়াবাড়ি গ্রামের মৃত পেলু মামুদের পুত্র বক্কর বলেন, বিভিন্ন ডাক্তারের ওষুধ খেয়ে হাজার হাজার টাকা নষ্ট করে আমার অসুখ ভালো হয়নি, শফিকুল ভাইয়ের কাছে হাঁপানি রোগের চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছে।
কোঁচপাড়া মৃত আক্কাছ আলীর পুত্র আনচার আলী ও সরকার পাড়ার হাকিমের মেয়ে হাসিনা বলেন, এই কবিরাজের কাছে ব্যথার ওষুধ নিয়ে সুস্থ আছি, এখন নামাজও পড়তে পারি।

সচেতন মহলের প্রশ্ন, কোনো রোগী যদি বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা করে সুস্থ না হলেও শফিকুলের কাছে এসে সুস্থ হয়, এতে অসুবিধা কী?