আট দিন পর গণপতির বাড়িতে মন্ত্রী, চার খুনের দ্রুত বিচারের আশ্বাস

আট দিন পর গণপতির বাড়িতে মন্ত্রী, চার খুনের দ্রুত বিচারের আশ্বাস

আনোয়ারুল ইসলাম রনি,রংপুর থেকেঃ রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্য হত্যার ঘটনায় দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাস দিয়েছে সরকার।

রোববার দুপুরে নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ি পরিদর্শনে গিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে রয়েছে। তদন্ত শেষ করে পুলিশ দ্রুত চার্জশিট দেবে এবং এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।
ঘটনার আট দিন পর মন্ত্রী ঘটনাস্থলে যান। সেখানে তিনি নিহত পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। পরে বাড়ির বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখার পাশাপাশি তদন্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের সাম্প্রতিক কয়েকটি আলোচিত হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত শেষ হয়েছে। লামিসা ও নন্দিনী হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন করে সরকার বিচারহীনতার সংস্কৃতি ভাঙার চেষ্টা করছে। রংপুরের চার খুনের ঘটনাটিও সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।
তিনি বলেন, “নিহতদের পরিবার এবং রংপুরবাসী এই হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রত্যাশা করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইতোমধ্যে তদন্তে অগ্রগতি অর্জন করেছে। আমরা আশা করছি, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন হবে এবং অপরাধীরা আইনের আওতায় আসবে।”
তদন্তে যেন কোনো ধরনের গাফিলতি না থাকে, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন মন্ত্রী। একই সঙ্গে দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত ঘটনা বের করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
পরিদর্শনের সময় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও সেখানে ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই পরিবারের চারজনের এমন মৃত্যুতে পুরো নগরীতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর থেকেই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
নিহত পরিবারের স্বজন ও স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তদন্ত দ্রুত শেষ করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
বিজ্ঞাপন
ট্যাগ
জনপ্রিয়
ফেনী সদর উপজেলায় আসন্ন দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা

ফেনী সদর উপজেলায় আসন্ন দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা

আট দিন পর গণপতির বাড়িতে মন্ত্রী, চার খুনের দ্রুত বিচারের আশ্বাস

আপডেট সময় : ০৭:১৯:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬

আনোয়ারুল ইসলাম রনি,রংপুর থেকেঃ রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্য হত্যার ঘটনায় দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাস দিয়েছে সরকার।

রোববার দুপুরে নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ি পরিদর্শনে গিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে রয়েছে। তদন্ত শেষ করে পুলিশ দ্রুত চার্জশিট দেবে এবং এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।
ঘটনার আট দিন পর মন্ত্রী ঘটনাস্থলে যান। সেখানে তিনি নিহত পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। পরে বাড়ির বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখার পাশাপাশি তদন্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের সাম্প্রতিক কয়েকটি আলোচিত হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত শেষ হয়েছে। লামিসা ও নন্দিনী হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন করে সরকার বিচারহীনতার সংস্কৃতি ভাঙার চেষ্টা করছে। রংপুরের চার খুনের ঘটনাটিও সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।
তিনি বলেন, “নিহতদের পরিবার এবং রংপুরবাসী এই হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রত্যাশা করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইতোমধ্যে তদন্তে অগ্রগতি অর্জন করেছে। আমরা আশা করছি, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন হবে এবং অপরাধীরা আইনের আওতায় আসবে।”
তদন্তে যেন কোনো ধরনের গাফিলতি না থাকে, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন মন্ত্রী। একই সঙ্গে দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত ঘটনা বের করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
পরিদর্শনের সময় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও সেখানে ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই পরিবারের চারজনের এমন মৃত্যুতে পুরো নগরীতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর থেকেই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
নিহত পরিবারের স্বজন ও স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তদন্ত দ্রুত শেষ করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
বিজ্ঞাপন