রাজধানীর কদমতলী এলাকায় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় আল আমিন (৪২) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় রাজিব (৪০) নামে আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত ও আহত দুজনই একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে কদমতলীর সাদ্দাম মার্কেটের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আল আমিন অনন্ত হাউজিং লিমিটেডের জুনিয়র অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি বরগুনার আমতলী থানার উত্তর গজখালী গ্রামের আলমগীর হাওলাদারের ছেলে। তিনি সাত মাস বয়সী এক সন্তানের জনক ছিলেন।
আহত রাজিবও একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। তিনি রাজধানীর শ্যামপুর থানার খন্দকার রোড এলাকার আনু মিয়ার ছেলে।

আহত রাজিব জানান, অফিসের কাজ শেষে তারা দুজন মোটরসাইকেলে করে বাসায় ফিরছিলেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাদ্দাম মার্কেটের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে কয়েকটি অটোরিকশা আসতে দেখে তিনি মোটরসাইকেলের গতি কমিয়ে দেন। একই সঙ্গে পেছন থেকে আসা কাভার্ডভ্যানটিকে সিগন্যাল দেন।
তার দাবি, কাভার্ডভ্যানের চালক সিগন্যাল বুঝতে না পেরে দ্রুতগতিতে এসে তাদের মোটরসাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দেন। এতে আল আমিন ও রাজিব মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।
পরে এক পথচারী তাদের উদ্ধার করে রাত ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে আল আমিনকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাজিবের বোন রোকেয়া বলেন, ‘আল আমিন ও রাজিব সব সময় একসঙ্গে চলাফেরা করতেন। দুর্ঘটনায় এক বন্ধু তার প্রিয় বন্ধুকে হারিয়েছেন।’
বর্তমানে রাজিব ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে আল আমিনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, নিহতের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আহত রাজিবকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
সিটি পোস্ট/



























