কি‎উএস র‍্যাঙ্কিংয়ে এক বছরে ৩৮ ধাপ এগিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

কি‎উএস র‍্যাঙ্কিংয়ে এক বছরে ৩৮ ধাপ এগিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা মূল্যায়নকারী সংস্থা কিউএসের ২০২৭ সালের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংয়ে এক বছরে ৩৮ ধাপ এগিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)। দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় গত বছর ৩৬২তম অবস্থানে থাকা প্রতিষ্ঠানটি এবার উঠে এসেছে ৩২৪তম স্থানে। একই সঙ্গে এশিয়ার সামগ্রিক র‍্যাঙ্কিংয়েও এক ব্র্যাকেট উন্নতি হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির। গবেষণাপত্রের উদ্ধৃতি, আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্ক এবং একাডেমিক সুনামসহ কয়েকটি মূল্যায়ন সূচকে স্কোর অর্জনের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির এ অগ্রগতি দেখা গেছে।
‎
‎কিউএসের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ সালের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের ৫২টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে ১২টি বিশ্ববিদ্যালয় আগের বছরের তুলনায় এগিয়েছে, সাতটি নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে এবং ২৭টি পিছিয়েছে। নতুন করে তালিকায় যুক্ত হয়েছে ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়।
‎
‎জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি শুধু দক্ষিণ এশিয়ার তালিকাতেই সীমাবদ্ধ নয়। সমগ্র এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায়ও এক ব্র্যাকেট এগিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। গত বছর ১১০১-১২০০ ব্র্যাকেটে থাকা জবি এবার ১০০১-১১০০ ব্র্যাকেটে জায়গা করে নিয়েছে।
‎
‎বাংলাদেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, এশিয়ার সামগ্রিক র‍্যাঙ্কিংয়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। গত বছর ১৩২তম অবস্থানে থাকা প্রতিষ্ঠানটি এবার চার ধাপ পিছিয়ে ১৩৬তম হয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ১৪৯তম স্থান ধরে রেখেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ১৬৫তম থেকে ১৭৯তম অবস্থানে নেমেছে।
‎
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি পাঁচ ধাপ এগিয়ে ২১৬তম অবস্থানে উঠে এসেছে। বিপরীতে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ২৬০তম থেকে ২৭১তম এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ৩০৪তম থেকে ৩২৯তম অবস্থানে নেমেছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ৩১২তম থেকে ৩৪৯তম হয়ে ৩৭ ধাপ পিছিয়েছে। তবে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট)। প্রতিষ্ঠানটি ৪১৪তম থেকে ৩৭০তম অবস্থানে উঠে এসে ৪৪ ধাপ এগিয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আগের বছরের ৩৭৮তম অবস্থান ধরে রেখেছে।

‎কিউএসের ২০২৭ সালের মূল্যায়নে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কয়েকটি সূচকে উল্লেখযোগ্য স্কোর দেখা গেছে। এর মধ্যে ‘সাইটেশনস পার পেপার’ বা গবেষণাপত্রপ্রতি উদ্ধৃতি সূচকে ৬২ দশমিক ৩ স্কোর পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। ‘ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ নেটওয়ার্ক’ বা আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্ক সূচকে স্কোর ৪৫ দশমিক ৪।
‎
এছাড়া ‘পেপারস পার ফ্যাকাল্টি’ বা শিক্ষকপ্রতি গবেষণাপত্রের সূচকে ৮ দশমিক ৩, ‘এমপ্লয়ার রেপুটেশন’ বা নিয়োগকর্তাদের কাছে সুনামের সূচকে ১১ এবং ‘একাডেমিক রেপুটেশন’ বা একাডেমিক সুনামের সূচকে ১০ স্কোর অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
‎
‎বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক-শিক্ষার্থীর পরিসংখ্যানেও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। কিউএসের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ১৭ হাজার ৪৯৪ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক রয়েছেন ৮৪৪ জন। এই সংখ্যা অনুযায়ী প্রতি শিক্ষকের বিপরীতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২০ দশমিক ৭ জন। তবে কিউএসের শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত সূচকে বিশ্ববিদ্যালয়টির স্কোর ১৪ দশমিক ৭। স্কোর ও প্রকৃত শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত এক বিষয় নয়।
‎
‎কিউএসের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংয়ে একাডেমিক সুনাম, নিয়োগকর্তাদের মূল্যায়ন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত, গবেষণাপত্রপ্রতি উদ্ধৃতি, শিক্ষকপ্রতি গবেষণাপত্র, পিএইচডিধারী শিক্ষক, আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্ক এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়সহ মোট ১১টি সূচক বিবেচনা করা হয়।
‎
‎এ বিষয়ে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড.রইস উদ্দিন বলেন, ‘আমরা মাত্র স্টার্ট করছি, আমি আসার পরে এটা নিয়ে কমিটি করছি, আমরা আবেদন করছি এবং আলহামদুলিল্লাহ মোটামুটি আমরা ইমপ্রুভ করতেছি এবং সামনে এটার প্রতিফলন আরও পাওয়া যাবে, কি আমরা কাজ করছি এটা নিয়ে। কেবল কিউএস র‍্যাঙ্কিং নয়, বরং অন্যান্য আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিংয়েও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।’

বিজ্ঞাপন

র‍্যাঙ্কিংয়ের মানদণ্ড বা সূচকগুলো পূরণের জন্য গঠিত বিশেষ কমিটির কনভেনার হিসেবে তিনি নিজেই দায়িত্ব পালন করছেন বলে উল্লেখ করেন।
‎
‎বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক মানোন্নয়ন প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, ‘র‍্যাঙ্কিংয়ে তা উন্নয়নের জন্য যে সূচকগুলা ফিলাপ করা দরকার আমরা সেই মর্মে অলরেডি কাজ করতেছি। তো আশা করি ইনশাআল্লাহ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একসময়ের র‍্যাঙ্কিংয়ে ভালো অবস্থানে পৌঁছাবে। আমরা সবাই সচেষ্ট এবং এই ক্ষেত্রে সবার সহযোগিতাও প্রয়োজন এবং আমার আমাদের গুণগত যে পরিবর্তন আনা দরকার সেই লক্ষ্যে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজও করা দরকার।’

ট্যাগ
জনপ্রিয়
ফরিদপুরে জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে মরহুম চৌধুরী কামাল ইউসুফ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত 

ফরিদপুরে জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে মরহুম চৌধুরী কামাল ইউসুফ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত 

কি‎উএস র‍্যাঙ্কিংয়ে এক বছরে ৩৮ ধাপ এগিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

আপডেট সময় : ০২:৩৩:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা মূল্যায়নকারী সংস্থা কিউএসের ২০২৭ সালের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংয়ে এক বছরে ৩৮ ধাপ এগিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)। দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় গত বছর ৩৬২তম অবস্থানে থাকা প্রতিষ্ঠানটি এবার উঠে এসেছে ৩২৪তম স্থানে। একই সঙ্গে এশিয়ার সামগ্রিক র‍্যাঙ্কিংয়েও এক ব্র্যাকেট উন্নতি হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির। গবেষণাপত্রের উদ্ধৃতি, আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্ক এবং একাডেমিক সুনামসহ কয়েকটি মূল্যায়ন সূচকে স্কোর অর্জনের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির এ অগ্রগতি দেখা গেছে।
‎
‎কিউএসের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ সালের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের ৫২টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে ১২টি বিশ্ববিদ্যালয় আগের বছরের তুলনায় এগিয়েছে, সাতটি নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে এবং ২৭টি পিছিয়েছে। নতুন করে তালিকায় যুক্ত হয়েছে ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়।
‎
‎জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি শুধু দক্ষিণ এশিয়ার তালিকাতেই সীমাবদ্ধ নয়। সমগ্র এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায়ও এক ব্র্যাকেট এগিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। গত বছর ১১০১-১২০০ ব্র্যাকেটে থাকা জবি এবার ১০০১-১১০০ ব্র্যাকেটে জায়গা করে নিয়েছে।
‎
‎বাংলাদেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, এশিয়ার সামগ্রিক র‍্যাঙ্কিংয়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। গত বছর ১৩২তম অবস্থানে থাকা প্রতিষ্ঠানটি এবার চার ধাপ পিছিয়ে ১৩৬তম হয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ১৪৯তম স্থান ধরে রেখেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ১৬৫তম থেকে ১৭৯তম অবস্থানে নেমেছে।
‎
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি পাঁচ ধাপ এগিয়ে ২১৬তম অবস্থানে উঠে এসেছে। বিপরীতে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ২৬০তম থেকে ২৭১তম এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ৩০৪তম থেকে ৩২৯তম অবস্থানে নেমেছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ৩১২তম থেকে ৩৪৯তম হয়ে ৩৭ ধাপ পিছিয়েছে। তবে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট)। প্রতিষ্ঠানটি ৪১৪তম থেকে ৩৭০তম অবস্থানে উঠে এসে ৪৪ ধাপ এগিয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আগের বছরের ৩৭৮তম অবস্থান ধরে রেখেছে।

‎কিউএসের ২০২৭ সালের মূল্যায়নে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কয়েকটি সূচকে উল্লেখযোগ্য স্কোর দেখা গেছে। এর মধ্যে ‘সাইটেশনস পার পেপার’ বা গবেষণাপত্রপ্রতি উদ্ধৃতি সূচকে ৬২ দশমিক ৩ স্কোর পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। ‘ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ নেটওয়ার্ক’ বা আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্ক সূচকে স্কোর ৪৫ দশমিক ৪।
‎
এছাড়া ‘পেপারস পার ফ্যাকাল্টি’ বা শিক্ষকপ্রতি গবেষণাপত্রের সূচকে ৮ দশমিক ৩, ‘এমপ্লয়ার রেপুটেশন’ বা নিয়োগকর্তাদের কাছে সুনামের সূচকে ১১ এবং ‘একাডেমিক রেপুটেশন’ বা একাডেমিক সুনামের সূচকে ১০ স্কোর অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
‎
‎বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক-শিক্ষার্থীর পরিসংখ্যানেও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। কিউএসের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ১৭ হাজার ৪৯৪ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক রয়েছেন ৮৪৪ জন। এই সংখ্যা অনুযায়ী প্রতি শিক্ষকের বিপরীতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২০ দশমিক ৭ জন। তবে কিউএসের শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত সূচকে বিশ্ববিদ্যালয়টির স্কোর ১৪ দশমিক ৭। স্কোর ও প্রকৃত শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত এক বিষয় নয়।
‎
‎কিউএসের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংয়ে একাডেমিক সুনাম, নিয়োগকর্তাদের মূল্যায়ন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত, গবেষণাপত্রপ্রতি উদ্ধৃতি, শিক্ষকপ্রতি গবেষণাপত্র, পিএইচডিধারী শিক্ষক, আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্ক এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়সহ মোট ১১টি সূচক বিবেচনা করা হয়।
‎
‎এ বিষয়ে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড.রইস উদ্দিন বলেন, ‘আমরা মাত্র স্টার্ট করছি, আমি আসার পরে এটা নিয়ে কমিটি করছি, আমরা আবেদন করছি এবং আলহামদুলিল্লাহ মোটামুটি আমরা ইমপ্রুভ করতেছি এবং সামনে এটার প্রতিফলন আরও পাওয়া যাবে, কি আমরা কাজ করছি এটা নিয়ে। কেবল কিউএস র‍্যাঙ্কিং নয়, বরং অন্যান্য আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিংয়েও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।’

বিজ্ঞাপন

র‍্যাঙ্কিংয়ের মানদণ্ড বা সূচকগুলো পূরণের জন্য গঠিত বিশেষ কমিটির কনভেনার হিসেবে তিনি নিজেই দায়িত্ব পালন করছেন বলে উল্লেখ করেন।
‎
‎বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক মানোন্নয়ন প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, ‘র‍্যাঙ্কিংয়ে তা উন্নয়নের জন্য যে সূচকগুলা ফিলাপ করা দরকার আমরা সেই মর্মে অলরেডি কাজ করতেছি। তো আশা করি ইনশাআল্লাহ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একসময়ের র‍্যাঙ্কিংয়ে ভালো অবস্থানে পৌঁছাবে। আমরা সবাই সচেষ্ট এবং এই ক্ষেত্রে সবার সহযোগিতাও প্রয়োজন এবং আমার আমাদের গুণগত যে পরিবর্তন আনা দরকার সেই লক্ষ্যে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজও করা দরকার।’