সাহিত্য-সংস্কৃতির আলো ছড়াতে মধু চৌধুরীর ৮৬তম জন্মবার্ষিকীতে মুক্ত আলোচনা সভা

সাহিত্য-সংস্কৃতির আলো ছড়াতে মধু চৌধুরীর ৮৬তম জন্মবার্ষিকীতে মুক্ত আলোচনা সভা
সরকার শাহাদত হোসেন:
জ্ঞানপিপাসা, সাহিত্যচর্চা ও মননশীল সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে আজ শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ইংরেজি কাব্যগ্রন্থের প্রণেতা মধু চৌধুরীর ৮৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মুক্ত আলোচনা সভা। সাহিত্যিকের জীবন, সাহিত্যকর্ম ও অবদান স্মরণ এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে জ্ঞানচর্চা ও সাহিত্যপ্রেম ছড়িয়ে দিতে এ আয়োজন করেছে মধু চৌধুরী স্মৃতি সাহিত্য পরিষদ।
গতকাল  বিকেল সাড়ে ৩টায়  রওশনবাগ দ্বিমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়   এতে সাহিত্যপ্রেমী, শিক্ষাবিদ, লেখক, সাংবাদিক ও সংস্কৃতিপ্রেমীরা অংশ গ্রহণ করেন,
মধু চৌধুরী স্মৃতি সাহিত্য পরিষদের সভাপতি মো. নুরুজ্জামান সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  দৈনিক ঘাঘট পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক   গাইবান্ধা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি আব্দুস সামাদ সরকার বাবু।
বিশেষ অতিথি হিসেবে,
 উপস্থিত ছিলেন,  পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি ও শিক্ষাবিদ মো. শাহ আলম সরকার। এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক সরকার শাহাদত হোসেন।
আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থােকে বক্তব্য দেন  ফুলছড়ি,  সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এস এম আশাদুল ইসলাম এবং রওশনবাগ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তাকিম বিল্লাহ।
আরও বক্তব্য দেন  নাট্যব্যক্তিত্বসংগঠক  লেখকও গবেষক, মোক্তাদির রহমান রোমান; রওশনবাগ দ্বিমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম রবিউল আলম; রওশনবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রাজ্জাক  সুজন;।  এছাড়া রংপুর বিভাগের বিএ ডিসির, কর্মকর্তা সরদার মো. রওশন আজম এবং মফস্বল কবি ও কথাসাহিত্যিক, গাইবান্ধা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এম. জাহিদ চৌধুরী লিংকন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন  মধু চৌধুরী স্মৃতি সাহিত্য পরিষদের সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. শফিউল ইসলাম ফারাজী।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে মধু চৌধুরীর সাহিত্যকর্ম ও অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা সম্ভব হবে। পাশাপাশি বই পড়া, জ্ঞানার্জন ও সৃজনশীল সাহিত্যচর্চায় মানুষের আগ্রহ বাড়বে।
সাহিত্য মানুষের চিন্তা, মনন ও মানবিক মূল্যবোধকে সমৃদ্ধ করে। সাহিত্যিকদের স্মরণ এবং তাঁদের সৃষ্টিকর্ম নিয়ে মুক্ত আলোচনার মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্মের সামনে জ্ঞানের নতুন দুয়ার উন্মোচিত হতে পারে। এমন আয়োজন সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশ এবং মননশীল সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অনুষ্ঠানটির  সার্বিক সৌজন্যে ছিলেন  লিংকন  চৌধুরী।
বিজ্ঞাপন
ট্যাগ
জনপ্রিয়
শাল্লায় এক পরিবারে তিন প্রতিবন্ধীকে নিয়ে চরম কষ্টে জীবনযাপন করেছন পিতামাতা

শাল্লায় এক পরিবারে তিন প্রতিবন্ধীকে নিয়ে চরম কষ্টে জীবনযাপন করেছন পিতামাতা

সাহিত্য-সংস্কৃতির আলো ছড়াতে মধু চৌধুরীর ৮৬তম জন্মবার্ষিকীতে মুক্ত আলোচনা সভা

আপডেট সময় : ০৭:৩২:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
সরকার শাহাদত হোসেন:
জ্ঞানপিপাসা, সাহিত্যচর্চা ও মননশীল সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে আজ শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ইংরেজি কাব্যগ্রন্থের প্রণেতা মধু চৌধুরীর ৮৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মুক্ত আলোচনা সভা। সাহিত্যিকের জীবন, সাহিত্যকর্ম ও অবদান স্মরণ এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে জ্ঞানচর্চা ও সাহিত্যপ্রেম ছড়িয়ে দিতে এ আয়োজন করেছে মধু চৌধুরী স্মৃতি সাহিত্য পরিষদ।
গতকাল  বিকেল সাড়ে ৩টায়  রওশনবাগ দ্বিমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়   এতে সাহিত্যপ্রেমী, শিক্ষাবিদ, লেখক, সাংবাদিক ও সংস্কৃতিপ্রেমীরা অংশ গ্রহণ করেন,
মধু চৌধুরী স্মৃতি সাহিত্য পরিষদের সভাপতি মো. নুরুজ্জামান সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  দৈনিক ঘাঘট পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক   গাইবান্ধা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি আব্দুস সামাদ সরকার বাবু।
বিশেষ অতিথি হিসেবে,
 উপস্থিত ছিলেন,  পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি ও শিক্ষাবিদ মো. শাহ আলম সরকার। এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক সরকার শাহাদত হোসেন।
আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থােকে বক্তব্য দেন  ফুলছড়ি,  সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এস এম আশাদুল ইসলাম এবং রওশনবাগ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তাকিম বিল্লাহ।
আরও বক্তব্য দেন  নাট্যব্যক্তিত্বসংগঠক  লেখকও গবেষক, মোক্তাদির রহমান রোমান; রওশনবাগ দ্বিমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম রবিউল আলম; রওশনবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রাজ্জাক  সুজন;।  এছাড়া রংপুর বিভাগের বিএ ডিসির, কর্মকর্তা সরদার মো. রওশন আজম এবং মফস্বল কবি ও কথাসাহিত্যিক, গাইবান্ধা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এম. জাহিদ চৌধুরী লিংকন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন  মধু চৌধুরী স্মৃতি সাহিত্য পরিষদের সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. শফিউল ইসলাম ফারাজী।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে মধু চৌধুরীর সাহিত্যকর্ম ও অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা সম্ভব হবে। পাশাপাশি বই পড়া, জ্ঞানার্জন ও সৃজনশীল সাহিত্যচর্চায় মানুষের আগ্রহ বাড়বে।
সাহিত্য মানুষের চিন্তা, মনন ও মানবিক মূল্যবোধকে সমৃদ্ধ করে। সাহিত্যিকদের স্মরণ এবং তাঁদের সৃষ্টিকর্ম নিয়ে মুক্ত আলোচনার মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্মের সামনে জ্ঞানের নতুন দুয়ার উন্মোচিত হতে পারে। এমন আয়োজন সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশ এবং মননশীল সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অনুষ্ঠানটির  সার্বিক সৌজন্যে ছিলেন  লিংকন  চৌধুরী।
বিজ্ঞাপন