বগুড়ায় সৎপিতার বিরুদ্ধে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টার দাবি

বগুড়ায় সৎপিতার বিরুদ্ধে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টার দাবি

স্টাফ রিপোর্টার | মীর মো: রাকিব হাসান:

বগুড়া মহানগরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের গোবরধনপুর গ্রামে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার সৎপিতার বিরুদ্ধে। গত ১৬ অক্টোবর এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় অর্থের বিনিময়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি মো. তোতা মিয়া। তিনি বগুড়া সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের মেঘাগাছা গ্রামের মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রের বরাতে দাবি করা হচ্ছে, ঘটনার পর কিশোরীকে তার নানির বাড়িতে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া মেঘাগাছা গ্রামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে ঘটনাটি মীমাংসার চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। তবে অর্থ লেনদেনের দাবি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভূমিকা সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশের বক্তব্য, কোনো মামলা হয়েছে কি না এবং ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া এবং কিশোরীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

কিশোরীর পরিচয় ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় তার নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হলো না। অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের দাবি জানানো হচ্ছে।

ট্যাগ
জনপ্রিয়
প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের ঘোষণা

প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের ঘোষণা

বগুড়ায় সৎপিতার বিরুদ্ধে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টার দাবি

আপডেট সময় : ০২:৩৩:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার | মীর মো: রাকিব হাসান:

বগুড়া মহানগরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের গোবরধনপুর গ্রামে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার সৎপিতার বিরুদ্ধে। গত ১৬ অক্টোবর এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় অর্থের বিনিময়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি মো. তোতা মিয়া। তিনি বগুড়া সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের মেঘাগাছা গ্রামের মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রের বরাতে দাবি করা হচ্ছে, ঘটনার পর কিশোরীকে তার নানির বাড়িতে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া মেঘাগাছা গ্রামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে ঘটনাটি মীমাংসার চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। তবে অর্থ লেনদেনের দাবি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভূমিকা সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশের বক্তব্য, কোনো মামলা হয়েছে কি না এবং ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া এবং কিশোরীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

কিশোরীর পরিচয় ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় তার নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হলো না। অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের দাবি জানানো হচ্ছে।