রাষ্ট্র ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করে : ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুস 

রাষ্ট্র ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করে : ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুস 

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি :

রাষ্ট্র সকল ধর্মকে স্বাধীনভাবে পালন করার জন্য স্বীকৃতি দেয়, উৎসাহিত করে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি, অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করে বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা শহরের শ্যাম সুন্দর জিউ আখড়া, আনন্দময়ী কালী মন্দির ও ত্রিনয়নী দুর্গা পূজা মন্ডপ পরিদর্শন শেষে এ মন্তব্য করেন। এসময় তিনি পূজার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সার্বিক বিষয়ে খোঁজ খবর নেন।

বিজ্ঞাপন

ডিআইজি বলেন, আবহমানকাল থেকে এখানে মুসলিম হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান সবাই স্বাধীনভাবে আনন্দমুখর পরিবেশে তাদের নিজ নিজ ধর্ম কর্ম উৎসব পালন করেছে। সম্প্রীতির বন্ধন সবসময় ছিলো। হঠাৎ কেন যেন এটার মধ্যে একটু ছেদ পড়েছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে রাষ্ট্র সকল ধর্মকে তাদের স্বাধীনভাবে পালন করার জন্য স্বীকৃতি দেয়, উৎসাহিত করে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করে। সেই লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য নিয়েই আমরা প্রত্যেকটি স্থান পরিদর্শন করছি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি শংকর মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক মিলন মন্ডল, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি স্বপন চন্দ্র নাথ, সাধারণ সম্পাদক শিমুল সাহা ও জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সহ-সভাপতি মানিক সাহা প্রমুখ।

ট্যাগ
জনপ্রিয়
বগুড়ায় জুয়া খেলার সময় ৬ জন গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ

বগুড়ায় জুয়া খেলার সময় ৬ জন গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ

রাষ্ট্র ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করে : ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুস 

আপডেট সময় : ০৩:০৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি :

রাষ্ট্র সকল ধর্মকে স্বাধীনভাবে পালন করার জন্য স্বীকৃতি দেয়, উৎসাহিত করে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি, অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করে বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা শহরের শ্যাম সুন্দর জিউ আখড়া, আনন্দময়ী কালী মন্দির ও ত্রিনয়নী দুর্গা পূজা মন্ডপ পরিদর্শন শেষে এ মন্তব্য করেন। এসময় তিনি পূজার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সার্বিক বিষয়ে খোঁজ খবর নেন।

বিজ্ঞাপন

ডিআইজি বলেন, আবহমানকাল থেকে এখানে মুসলিম হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান সবাই স্বাধীনভাবে আনন্দমুখর পরিবেশে তাদের নিজ নিজ ধর্ম কর্ম উৎসব পালন করেছে। সম্প্রীতির বন্ধন সবসময় ছিলো। হঠাৎ কেন যেন এটার মধ্যে একটু ছেদ পড়েছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে রাষ্ট্র সকল ধর্মকে তাদের স্বাধীনভাবে পালন করার জন্য স্বীকৃতি দেয়, উৎসাহিত করে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করে। সেই লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য নিয়েই আমরা প্রত্যেকটি স্থান পরিদর্শন করছি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি শংকর মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক মিলন মন্ডল, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি স্বপন চন্দ্র নাথ, সাধারণ সম্পাদক শিমুল সাহা ও জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সহ-সভাপতি মানিক সাহা প্রমুখ।