সুন্দরগঞ্জে ডেঙ্গুর হানা, হাসপাতালে ৪ রোগী

সুন্দরগঞ্জে ডেঙ্গুর হানা, হাসপাতালে ৪ রোগী
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দিয়েছে। এ পর্যন্ত পাঁচজনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে চারজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, ডেঙ্গু ওয়ার্ডে চারজন রোগী চিকিৎসাধীন। তারা হলেন—আঙ্গুর মিয়া, কাজিউল ইসলাম, আল আমিন মিয়া ও ফুলমতি বেগম। তারা সবাই সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ফুলমতি বেগম তারাপুর ইউনিয়নের চৈতন্য বাজার এলাকায় বেড়াতে এসে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন। অন্য তিনজন ঢাকা থেকে জ্বর নিয়ে বাড়ি ফেরার পর পরীক্ষা করলে তাদের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়।
চিকিৎসাধীন কাজিউল ইসলাম বলেন, ‘আমি ঢাকায় চাকরি করি। কয়েকদিন আগে জ্বর নিয়ে বাড়িতে ফিরি। ওষুধ খাওয়ার পরও জ্বর না কমায় হাসপাতালে ভর্তি হই। পরে পরীক্ষা করে জানতে পারি, আমি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছি।’
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামরুল হাসান বলেন, ‘ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে কয়েকজন রোগী হাসপাতালে আসেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাদের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়। আক্রান্ত রোগীদের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে একজন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। বাড়ির আশপাশে পানি জমতে দেওয়া যাবে না এবং জ্বর হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।’
ট্যাগ
জনপ্রিয়
নিষিদ্ধ আ.লীগের নৈরাজের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

নিষিদ্ধ আ.লীগের নৈরাজের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

সুন্দরগঞ্জে ডেঙ্গুর হানা, হাসপাতালে ৪ রোগী

আপডেট সময় : ০৩:৪৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দিয়েছে। এ পর্যন্ত পাঁচজনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে চারজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, ডেঙ্গু ওয়ার্ডে চারজন রোগী চিকিৎসাধীন। তারা হলেন—আঙ্গুর মিয়া, কাজিউল ইসলাম, আল আমিন মিয়া ও ফুলমতি বেগম। তারা সবাই সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ফুলমতি বেগম তারাপুর ইউনিয়নের চৈতন্য বাজার এলাকায় বেড়াতে এসে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন। অন্য তিনজন ঢাকা থেকে জ্বর নিয়ে বাড়ি ফেরার পর পরীক্ষা করলে তাদের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়।
চিকিৎসাধীন কাজিউল ইসলাম বলেন, ‘আমি ঢাকায় চাকরি করি। কয়েকদিন আগে জ্বর নিয়ে বাড়িতে ফিরি। ওষুধ খাওয়ার পরও জ্বর না কমায় হাসপাতালে ভর্তি হই। পরে পরীক্ষা করে জানতে পারি, আমি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছি।’
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামরুল হাসান বলেন, ‘ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে কয়েকজন রোগী হাসপাতালে আসেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাদের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়। আক্রান্ত রোগীদের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে একজন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। বাড়ির আশপাশে পানি জমতে দেওয়া যাবে না এবং জ্বর হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।’