গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, মৎস্যসম্পদের উন্নয়ন ও জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে ২৫০ কেজি রুই, কাতলা ও মৃগেল প্রজাতির পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেটের আওতায় উপজেলার বিভিন্ন উন্মুক্ত ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে এসব পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়। উপজেলার মোট ২৭টি জলাশয়ে পোনা মাছগুলো অবমুক্ত করা হয়েছে।
পোনা মাছ অবমুক্তকরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুর রাশেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঈফফাত জাহান তুলি, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাধব রায়, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক বাবুল আহমেদ, সদস্য সচিব মাহমুদুল ইসলাম প্রামাণিক, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক ইখতিয়ার উদ্দিন ভূঁইয়া, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. শহিদুল ইসলাম সরকার মঞ্জু, পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির একরামুল হকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
উপজেলা মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা যায়, উন্মুক্ত ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে পরিকল্পিতভাবে পোনা মাছ অবমুক্তের মাধ্যমে দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, মাছের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা এবং জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করাই এ কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য।
বক্তারা বলেন, জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তের পাশাপাশি এসব মাছ সংরক্ষণেও স্থানীয় জনগণকে সচেতন হতে হবে। অবৈধভাবে মাছ শিকার ও পোনা মাছ নিধন বন্ধ করা গেলে দেশীয় মাছের উৎপাদন আরও বাড়বে। মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে এ ধরনের কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাধব রায় বলেন, জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তের মাধ্যমে দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। সরকারি এ কার্যক্রমের সুফল স্থানীয় মৎস্যজীবী ও সাধারণ মানুষ পাবেন।




















