আরবি পড়তে আসা কিশোরীকে ধর্ষণ, মসজিদের ইমামের যাবজ্জীবন দণ্ড

আরবি পড়তে আসা কিশোরীকে ধর্ষণ, মসজিদের ইমামের যাবজ্জীবন দণ্ড

রাজন্য রুহানি, জামালপুর :

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে আরবি পড়তে আসা এক কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে মুছা মিয়া (৩৫) নামের এক মসজিদের ইমামকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

রবিবার ২৫ অক্টোবর সকালে জামালপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত মুছা মিয়া দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী এলাকার বাসিন্দা এবং মন্ডলপাড়ায় একটি মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসার শিক্ষক।

বিজ্ঞাপন

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০২০ সালের ২৮ নভেম্বর সকালে ইমাম মুছা মিয়ার কাছে আরবি পড়তে যায় ১৫ বছর বয়সী ওই কিশোরীটি। সে সময় ওই কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন তিনি। পরবর্তীতে এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হলে ওই বছরের ৮ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করে ভুক্তভোগী কিশোরীটির পরিবার।
মামলা দায়েরের পর তদন্ত শেষে আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. ফজলুল হক জানান, দীর্ঘ শুনানি এবং ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ শেষে আজ এই চূড়ান্ত রায় প্রদান করেন আদালত।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও ভুক্তভোগী পরিবার।

ট্যাগ
জনপ্রিয়
হবিগঞ্জে আবাসিক হোটেল থেকে বিটিসিএল কর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

হবিগঞ্জে আবাসিক হোটেল থেকে বিটিসিএল কর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

আরবি পড়তে আসা কিশোরীকে ধর্ষণ, মসজিদের ইমামের যাবজ্জীবন দণ্ড

আপডেট সময় : ০৩:১৬:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

রাজন্য রুহানি, জামালপুর :

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে আরবি পড়তে আসা এক কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে মুছা মিয়া (৩৫) নামের এক মসজিদের ইমামকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

রবিবার ২৫ অক্টোবর সকালে জামালপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত মুছা মিয়া দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী এলাকার বাসিন্দা এবং মন্ডলপাড়ায় একটি মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসার শিক্ষক।

বিজ্ঞাপন

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০২০ সালের ২৮ নভেম্বর সকালে ইমাম মুছা মিয়ার কাছে আরবি পড়তে যায় ১৫ বছর বয়সী ওই কিশোরীটি। সে সময় ওই কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন তিনি। পরবর্তীতে এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হলে ওই বছরের ৮ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করে ভুক্তভোগী কিশোরীটির পরিবার।
মামলা দায়েরের পর তদন্ত শেষে আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. ফজলুল হক জানান, দীর্ঘ শুনানি এবং ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ শেষে আজ এই চূড়ান্ত রায় প্রদান করেন আদালত।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও ভুক্তভোগী পরিবার।