গত শনিবার ১৭ অক্টোবর মুঠোফোনে এ বিষয়ে জানতে চাইলে কথোপকথনের একপর্যায়ে ওই সাংবাদিককে ‘তুই’ সম্বোধন করে কথা বলেন হাসপাতাল পরিচালক। এ সময় তিনি বলেন, ‘তুই তোর বাপ তারেক রহমানকে বল, হাসপাতালে ডাক্তার দিতে। তুই আমাকে ফোনে বিরক্ত করছিস কেন?’ এমন আচরণে বিব্রত ও মর্মাহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন সাংবাদিক জিকু খান।
জানা যায়, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোগীর শয্যা কেটে দেওয়ার বিষয়ে জানতে গত শনিবার ১৭ অক্টোবর মুঠোফোনে হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন সাংবাদিক জিকু খান। এ সময় কথোপকথনের একপর্যায়ে পরিচালক তাঁর সঙ্গে অশোভন ভাষায় কথা বলেন বলে অভিযোগ করেন ওই সাংবাদিক।
জিকু খান আরও দাবি করেন, পরিচালকের সঙ্গে কথা বলার সময় তাঁর মুঠোফোনটি লাউডস্পিকারে চালু ছিল। ফলে সেখানে উপস্থিত সহকর্মী সাংবাদিক ও রোগীর স্বজনেরাও কথোপকথন শুনতে পান। তাঁদের সামনে এ ধরনের ভাষা ব্যবহারে তিনি বিব্রত ও মর্মাহত হয়েছেন বলে জানান।
এ বিষয়ে সাংবাদিক জিকু খান বলেন, সহকর্মী সাংবাদিক ও রোগীর স্বজনদের সামনে লাউডস্পিকারে কথা বলার সময় হাসপাতাল পরিচালকের ‘তুই-তোকারি’ আচরণ এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে এমন মন্তব্যে তিনি মর্মাহত হয়েছেন। হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল কর্মকর্তার কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ প্রত্যাশিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. নূর মো. শামসুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন,আমি সাংবাদিককে এমন কিছুই বলিনি।উলটা ওই সাংবাদিক আমার সাথে দুর্বব্যাবহার করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।






















