তিন প্রজন্ম ধরে ঐক্যের রাজনীতিতে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছে জিয়া পরিবার: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

তিন প্রজন্ম ধরে ঐক্যের রাজনীতিতে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছে জিয়া পরিবার: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং তাঁদের উত্তরসূরি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান—এই তিন প্রজন্মই জাতীয় ঐক্যের রাজনীতি ধারণ করে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ফরহাদ হোসেন আজাদ।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে ঐতিহাসিক ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সরকারি অডিটরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, “৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। তৎকালীন চরম রাজনৈতিক সংকট ও নেতৃত্বের শূন্যতায় সিপাহি-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত বিপ্লবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মুক্তির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এক সুসংহত ও শক্তিশালী নেতৃত্বের দিশা পেয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, “শহীদ জিয়া থেকে শুরু করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পর্যন্ত তিন প্রজন্মই বিভাজন নয়, বরং জাতীয় ঐক্যের রাজনীতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁদের রাজনৈতিক দর্শনের মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো দেশের মানুষকে এক সুতোয় গাঁথা এবং একটি আত্মনির্ভরশীল ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা।
আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে দল, মত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা বিশ্বদরবারে একটি সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারব।”
পঞ্চগড়ের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি স্থানীয় প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, “পঞ্চগড়ের সার্বিক অগ্রগতির জন্য সব ধরনের রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে আমাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। জেলার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ও উন্নত পঞ্চগড় উপহার দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। এক্ষেত্রে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা অপরিহার্য।
জেলা প্রশাসনের এই আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড় জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ, জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভীন, পুলিশ সুপার আবু সায়েম এবং সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান।
এছাড়াও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম কাচ্চু, জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজলসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
বিজ্ঞাপন
ট্যাগ
জনপ্রিয়
গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশীকে ধরে নিয়ে গেলো বিএসএফ, বিজিবি’র পাল্টা গুলি, এখনও মেলেনি সন্ধান 

গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশীকে ধরে নিয়ে গেলো বিএসএফ, বিজিবি’র পাল্টা গুলি, এখনও মেলেনি সন্ধান 

তিন প্রজন্ম ধরে ঐক্যের রাজনীতিতে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছে জিয়া পরিবার: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:২৯:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং তাঁদের উত্তরসূরি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান—এই তিন প্রজন্মই জাতীয় ঐক্যের রাজনীতি ধারণ করে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ফরহাদ হোসেন আজাদ।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে ঐতিহাসিক ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সরকারি অডিটরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, “৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। তৎকালীন চরম রাজনৈতিক সংকট ও নেতৃত্বের শূন্যতায় সিপাহি-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত বিপ্লবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মুক্তির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এক সুসংহত ও শক্তিশালী নেতৃত্বের দিশা পেয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, “শহীদ জিয়া থেকে শুরু করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পর্যন্ত তিন প্রজন্মই বিভাজন নয়, বরং জাতীয় ঐক্যের রাজনীতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁদের রাজনৈতিক দর্শনের মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো দেশের মানুষকে এক সুতোয় গাঁথা এবং একটি আত্মনির্ভরশীল ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা।
আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে দল, মত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা বিশ্বদরবারে একটি সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারব।”
পঞ্চগড়ের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি স্থানীয় প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, “পঞ্চগড়ের সার্বিক অগ্রগতির জন্য সব ধরনের রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে আমাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। জেলার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ও উন্নত পঞ্চগড় উপহার দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। এক্ষেত্রে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা অপরিহার্য।
জেলা প্রশাসনের এই আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড় জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ, জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভীন, পুলিশ সুপার আবু সায়েম এবং সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান।
এছাড়াও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম কাচ্চু, জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজলসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
বিজ্ঞাপন