হাসপাতালে পাঠানো পুলিশ সদস্যের নাম মোঃ ওসমান গনি। তিনি ড্রাইভার কনস্টেবল হিসেবে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশে কর্মরত। তিনি ঢাকার ধামরাই উপজেলার সাহাবেলীশ্বর গ্রামের আঃ কুদ্দুছের ছেলে।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে ওই পুলিশ সদস্যের আচরণ ও চালচলনে সন্দেহ দেখা দিলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে তাঁকে ডোপ টেস্টের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত হয়। এর পরপরই স্বাস্থ্য পরীক্ষার উদ্দেশ্যে তাঁকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, বাংলাদেশ পুলিশের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও নীতিমালার অংশ হিসেবে মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। কোনো সদস্যের মাদক ব্যবহারের বিষয়ে প্রাথমিক প্রমাণ বা সন্দেহ থাকলে তাঁর পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক। ডোপ টেস্টের চূড়ান্ত মেডিকেল প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অপরাধ ও শৃঙ্খলাভঙ্গের বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রেখে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।





















